"সংখ্যালঘু বলে কোন শব্দ নেই" আমরা সবাই ভাই ভাই এবং আত্মার আত্মীয়- সিরাজুল ইসলাম ফুল
অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠার বার্তা নিয়ে মর্ত্যলোকে আগমন ঘটেছে মা দুর্গার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পুণ্যার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বনিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি এবং পৌর মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ফুল।সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার ৫টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান তিনি। দেবী দুর্গার আবাহনে মুখরিত মণ্ডপগুলোতে পৌঁছে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা ও আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। পরিদর্শনকালে তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে মণ্ডপগুলোর পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
সেগুলো হলো বাজার সার্বজনীন কেন্দীয় কালী মন্দির, উত্তর হিন্দকান্দি শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির , উত্তর সাহাপাড়া তিনমাথা পূজা মন্দির, সাহাপাড়া মদন মহন সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, সাহাপাড়া বড়বাড়ী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির। পরিদর্শনকালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন পৌর জাসাসের সভাপতি আব্দুল মোমিন আকন্দ, পৌর শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শেখ বুলবুল আহমেদ, উপজেলা জিসাসের সভাপতি পাইলট, পৌর বিএনপি নেতা সফিউজ্জামান বিটুল, পৌর তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামাদুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে সিরাজুল ইসলাম ফুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সারিয়াকান্দি পৌর শাখা ও বণিক সমবায় সমিতি লিঃ এর পক্ষ থেকে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা । সেই সাথে বাংলাদেশের মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির। আমাদের মাধ্যমে আপনাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমরা অতীতেও আপনাদের সামনে এসেছি। যেভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছি। বর্তমানেও আছি ভবিষ্যতেও থাকবো। আপনারা আমাদেরকে যেভাবে ভোট দিয়ে জাতীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। আপনাদের এই ঋণ কোনদিনও ভুলব না।
এখানে একটি পক্ষ আপনাদের ভয় দেখিয়েছে এই ১৭ বছর । সেটা হচ্ছে সংখ্যালঘু। সংখ্যালঘু বলে কোন শব্দ নেই। আমরা সবাই ভাই ভাই এবং আত্মার আত্মীয়। অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন যে হিন্দু মানে আওয়ামীলীগ। আসলে হিন্দু মানে আওয়ামীলীগ না। হিন্দু মানেই বিএনপি। আপনার যেভাবে ভোট দিয়ে সহযোগিতা করেছেন এটাই তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমি আশা করব এবং বিশ্বাস করি সামনে স্থানীয় নির্বাচনেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে যে সকল প্রার্থীকে নির্ধারণ করে দিবেন। অতীতের ন্যায় জাতীয় নির্বাচনে যেভাবে ভোট দিয়েছেন । তার ধারাবাহিকতায় স্থানীয় নির্বাচনেও সেই ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা প্রত্যাশা রাখছি এবং প্রতিটি মণ্ডপে যেন পুণ্যার্থীরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পূজা-অর্চনা ও আনন্দ উদযাপন করতে পারেন, সেই পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সবসময় পাশে আছি।
