পলাশবাড়ীর পল্লীতে প্রাণনাশের হুমকি পরিবার ও সম্পত্তির নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি এবং বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতেসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার ১৯ আগষ্ট বিকেলে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের চিত্তরঞ্জনের ছেলে শ্রী স্বরূপ সরকার। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত বিদেশে প্রবাস জীবন যাপন করে দেশে ফিরে আসি।এখন বৈধভাবে মাছের ঘের পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। গত প্রায় দুই বছর ধরে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি-মো ফারুক মিয়া (৩২), পিতা-মৃত ওসমেদ আলী; গ্রামঃ গণেশপুর মো হযরত আলী (২৮), পিতা-মোঃ ইসলাম সদর, গ্রামঃ গণেশপুর; এবং মো মিজানুর রহমান (৩২), পিতা-মোঃ মতিয়ার রহমান, গ্রামঃ জাইতর বালা–বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে।
গত দুই বছরে বিভিন্ন দফায় বিভিন্ন মাধ্যমে তারা আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক প্রায় ২,০০,০০০/-(দুই লাখ) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাসাম্প্রতিক সময়ে এই চক্রটি ক্ষান্ত না হয়ে এককালীন আরও বড় অঙ্কের অর্থাৎ প্রায় ২,০০,০০০/-(দুইলাখ) টাকা চাঁদা দাবি করায় আমি চাঁদা দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানাই। এর জের ধরে গত ৭ আগস্ট ২০২৬ রাতে আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে কাশিয়াবাড়ি বাজারের প্রায় ২০০ মিটারের মধ্যে আমার মাছের ঘেরের সামনে ওঁৎ পেতেথাকা অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত ও প্রাণঘাতী হামলা চালায়। তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করা। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে ও আমার আত্মচিৎকারে আমি কোনোমতে প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর জখম হই।
একইসাথে আমার মাছের ঘেড়ে কর্মরত কাশিয়াবাড়ী গ্রামের অমল চন্দ্র সরকারের ছেলে আপন সরকার (১৭) কেও হামলা চালিয়ে হাড়ভাঙা জখম করে গুরতর আহত করে।এমতাবস্থায়, ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা, হামলাকারী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটানো পরিবারের জীবন এবং সম্পত্তির পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি ও আকুতি করে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী স্বরুপ সরকার।এসময় ভুক্তভোগী স্বরুপ সরকারের বাবা চিত্তরঞ্জন সরকার, আপন সরকার ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
