Joy Jugantor | online newspaper

শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে আধাপাকা ধানে বিষ প্রয়োগ,

সেচযন্ত্র ভাঙচুর থানায় অভিযোগ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:৩৫, ৫ মে ২০২৬

সেচযন্ত্র ভাঙচুর থানায় অভিযোগ

শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে আধাপাকা ধানে বিষ প্রয়োগ, সেচযন্ত্র ভাঙচুর থানায় অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুগাহাট ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে আধাপাকা ধানে বিষ প্রয়োগ ও সেচযন্ত্র ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযুক্তরা হলেন সুগাহাট ইউনিয়নের কল্যাণী গ্রামের মৃত হারান শেখের ছেলে জহুরুল ইসলাম জহির এবং বেলগাছি গ্রামের মৃত সাহেব আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ প্রায় ২০ বছর আগে বেলগাছি এলাকায় জমি ক্রয় করে চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু ওই জমি নিজেদের দাবি করে অভিযুক্ত জহির দখলের চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও জমি না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন তিনি। এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ মে দিবাগত রাতে ওই জমির প্রায় ২০ শতাংশ আধাপাকা ধানে বিষ প্রয়োগ করা হয়, ফলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, জমিতে থাকা সেচের পাম্প ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে এবং গভীর নলকূপের তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুট ও নষ্ট করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “মানুষের সঙ্গে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে, কিন্তু ফসলের সঙ্গে এমন শত্রুতা কেন? আমার কষ্টের ফসল এভাবে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”তবে অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম জহির জমি নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করলেও বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি গত এক বছর ওই গ্রামে যাইনি। মানবতার খাতিরে জমির দাবি আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”এ বিষয়ে শেরপুর থানা-র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মইনুদ্দিন বলেন, ধান নষ্ট ও সেচযন্ত্র ভাঙচুরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।