দুপচাঁচিয়ায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বাদীর সংবাদ সম্মেলন
দুপচাঁচিয়া উপজেলার চামরুল ইউনিয়নের আটগ্রাম বেলহালী গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১ এপ্রিল সকালে তাদের পারিবারিক জমির সীমানায় প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মঞ্জু হোসেনের স্ত্রী রেশমা বেগমের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক জমির আইল নির্মাণ করতে যান।মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েলের অভিযোগ, তিনি বাধা দিতে গেলে রেশমা বেগম, বেলায়েত হোসেন, আরিফুল ইসলাম, হারুন মণ্ডল, পারভেজ হোসেন, রহিম হোসেন, আজিজুল ইসলাম, গোলাম হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, মিমি আক্তারসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।তিনি আরও বলেন, ওই দিন সকাল ১০টার দিকে ২ ও ৪ নম্বর আসামি মীমাংসার কথা বলে তাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই অভিযুক্তরা লোহার রড, বাঁশের লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিলেন।
পরে রেশমা বেগমের নির্দেশে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। তার চিৎকারে এগিয়ে এলে তার বাবা, মা ও শ্বশুরকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।আহতদের প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।ঘটনার পর গত ৬ এপ্রিল দুপচাঁচিয়া থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর- ৬।মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল বলেন, মামলা দায়েরের ১৩ দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং অভিযুক্তরা মামলা তুলে নিতে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।তিনি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জুয়েলের বাবা মোজাহার আলী, মা বিলকিস বেগম ও শ্বশুর দুলাল প্রামাণিক।
