Joy Jugantor | online newspaper

কুমিল্লায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:৩৫, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কুমিল্লায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২

কুমিল্লায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে বাগবিতণ্ডার জেরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী, শিবির কর্মী রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া, রাসেল, কাজী রাসেল, রিফাত, সানি। অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।আহতদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে শনিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সমাবেশ শেষে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা আমিরে জামায়াতের সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির স্থানীয় বিএনপির মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আমাদের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী জানান, শনিবার দুপুরে বাড়িতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সমাবেশ শেষে ফেরার পথে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বড়িতে আক্রমণ চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এতে বিএনপির স্থানীয় নেতারা এগিয়ে আসলে জামায়াত-শিবির আবারও তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময়  আমি ও আমার গাড়ির চালক আহত হয়েছেন।চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। তবে এই বিষয়ে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।