Joy Jugantor | online newspaper

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা, ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২:১৬, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা, ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা, ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় টানা বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এ হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে বিবিসি।হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও আছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুতদের একটি তাঁবুতে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানায় সংস্থাটি।ফিলিস্তিনিদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হওয়ার পর এমন ভয়াবহ হামলা আর দেখা যায়নি।শুক্রবার হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে—এমন অভিযোগ তুলে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।গত বছর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করে আসছে।এক বিবৃতিতে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) দাবি করেছে, পূর্ব রাফা এলাকায় ‘ভূগর্ভস্থ সন্ত্রাসী অবকাঠামো থেকে বেরিয়ে আসা আটজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।’

অঞ্চলটি অক্টোবরের চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।আইডিএফ আরও জানিয়েছে, তারা ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সি (আইএসএ) সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে।হামাস এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, চুক্তির এই লঙ্ঘন প্রমাণ করে যে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় তাদের ‘নির্মম গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ অব্যাহত রেখেছে।হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সাতজন ছিলেন খান ইউনিসের একটি বাস্তুচ্যুত পরিবারের সদস্য। সিভিল ডিফেন্সের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলায় আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট, তাঁবু, আশ্রয়কেন্দ্র ও একটি পুলিশ স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।গাজা সিটির শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, শহরে চালানো একটি বিমান হামলায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এতে তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হন।স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা সিটিতে একটি পুলিশ স্টেশনেও হামলা হয়েছে, এতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।হামলাগুলো এমন সময় হয়েছে, যখন চলতি সপ্তাহের শুরুতে সর্বশেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করার পর গাজার মিসর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং রোববার পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে ইসরায়েলের।মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং সব পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন’ করার আহ্বান জানিয়েছে। যুদ্ধবিরতি আলোচনার অন্যতম মধ্যস্থতাকারী কাতারও হামলার নিন্দা জানিয়েছে।