দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের সেবায় সরকার বাদল বেকারত্ব মোচনে এক মাইলফলক
পরোপকার মানবজাতির শ্রেষ্ঠ অলংকার। আত্মকেন্দ্রিকতার সংকীর্ণতা পেরিয়ে বৃহত্তর মানবসমাজের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করাই একজন মানুষের প্রকৃত সার্থকতা। এমনই দেশপ্রেম, মানবিকতা ও জনসেবার আদর্শকে ধারণ করে বগুড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নিজস্ব অবস্থান গড়ে তুলেছেন সরকার বাদল। বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া সরকার বাদল ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং সামাজিক সমস্যার সমাধান করাই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য।
তাঁর উদ্যোগ ও নেতৃত্বেই শাজাহানপুর উপজেলা বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর মনোনয়নে তিনি বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। ছাত্রজীবনে সহপাঠীদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও নেতৃত্ব দেন। তিনি বগুড়ায় জাতীয়তাবাদী রিকশাশ্রমিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা কমিটির আহ্বায়ক এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল মেশিনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন (বাম্মা)-এর বগুড়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে সরকার বাদল ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেন। দিন-রাত পরিশ্রম করে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলের বার্তা পৌঁছে দেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসন-এর উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশাকে বিজয়ী করতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।বেকারত্ব নিরসনে সরকার বাদলের নেওয়া উদ্যোগগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা বিআরটিসি মার্কেট ও মেঘ সিটি কমপ্লেক্স আজ স্থানীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা এলাকার জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি যানজট নিরসনে বিআরটিসি মার্কেটের ভেতর দিয়ে ১ নম্বর রেলগেট থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণেও তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেন এবং নিজ অর্থায়নে কাজটি বাস্তবায়ন করেন।
কৃষি উন্নয়নেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়। রাজারামপুর এলাকায় পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি হিসেবে বাঁধ নির্মাণ ও খাল খননের মাধ্যমে এক ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করেন। এর ফলে কৃষকদের উৎপাদন ও আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সরকার বাদল সবসময়ই অগ্রগামী। দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতবস্ত্র বিতরণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা প্রদানসহ নানা মানবিক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয়।
যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।এক আলাপচারিতায় সরকার বাদল বলেন, বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে মানুষ তা আবারও প্রমাণ করেছে। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতা, কৃষিঋণ মওকুফ, দেশব্যাপী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো নানা জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।সরকার বাদলের ভাষায়, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়; মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের একটি মাধ্যম। ন্যায়, সমতা ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমার মূল লক্ষ্য।”
