গাবতলীতে জোরপূর্বক রাস্তা বন্ধ ও গাছ কাটার থানায় অভিযোগ
গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকার গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বামুনিয়া গ্রামের মৃত মতিয়ার আকন্দের ছেলে মজনু মিয়া (৪০) বামুনিয়া মৌজায় ১ শত ১৯ শতাংশ পুকুর ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছেন। ওই পুকুরের পশ্চিম পাশ দিয়ে চলাচলের জন্য জমির বিক্রেতাকে ১৩ হাজার টাকা দেন তিনি। এ নিয়ে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পেও লিখিত চুক্তি হয়।অভিযোগে বলা হয়, পরে জমির বিক্রেতা স্ট্যাম্পটি ফটোকপি করার কথা বলে মূল কপিটি নিয়ে যান। এরপরই শুরু হয় বিরোধ। চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মজনু মিয়ার পুকুরপাড়ে রোপণ করা বিভিন্ন গাছ কেটে ফেলা হয়। এতে তার প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় মজনু মিয়া গত ১৮ এপ্রিল বাদী হয়ে বামুনিয়া পোদ্দারপাড়া গ্রামের তবারক (৫৫), হোসেন আলী (২৫), সাগর (২৫) ও সৈকত (২৮)-এর বিরুদ্ধে গাবতলী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ আহমেদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অন্যদিকে, একই দিনে ফোকাস সোসাইটির উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও ক্রাচ বিতরণ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলন। তিনি বলেন, “প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, তারা আমাদেরই আপনজন। সমাজের বিত্তবানদেরও তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।”১৮ এপ্রিল শনিবার ফোকাস সোসাইটির নিজস্ব মিলনায়তনে ৬ জন অসচ্ছল প্রতিবন্ধীর মাঝে ৬টি হুইল চেয়ার এবং ২ জনকে ক্রাচ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে ফোকাস সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ সৈয়দ জামান, নির্বাহী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মিলন, উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মনি, সমন্বয়কারী অপূর্ব মোহন তালুকদার, উপ-সমন্বয়কারী শফিকুল আলম ও শামীম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
