Joy Jugantor | online newspaper

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮:৪৯, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও কিছু তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং জেট ফুয়েল রপ্তানি করেছে ইরান। শিপিং গোয়েন্দা তথ্য ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।ওমানের উপকূলে অন্যান্য উপসাগরীয় উৎপাদকদের সঙ্গে জাহাজ থেকে জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের আড়ালে তেহরান গত কয়েক সপ্তাহে এই চালানগুলো গোপনে বের করে নিয়ে গেছে। পারস্য উপসাগরীয় তেল চলাচল পর্যবেক্ষণকারী চার সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্মকর্তার মতে, মার্কিন অবরোধের মধ্যে হাতে গোনা কিছু পেট্রোলিয়াম পণ্য বের করে নেওয়ার এটি বিরল প্রমাণ।মার্কিন থিঙ্কট্যাংক ইউনাইটেড এগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরান বা ইউয়ানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সিনম্যাক্সের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে অন্তত আটটি গ্যাস ট্যাংকার ও একটি জেট জ্বালানি বাহক জাহাজ অবরোধ এড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

এর মধ্যে মিয়ানমারে পৌঁছানো জেট জ্বালানি বাহী জাহাজসহ ছয়টি ট্যাংকার যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে।ইউয়ানির জেমিমা শেলি জানান, ওমানের শিনাস ও সোহারের উপকূলের কাছাকাছি এলপিজি ট্যাংকারগুলো থেকে পণ্য খালাস করা হয়েছিল এবং এর বেশিরভাগই মালয়েশিয়ার জলসীমা হয়ে শেষ পর্যন্ত চীনে পাঠানো হয়েছে। এই এলপিজি চালানের মোট পরিমাণ আনুমানিক ৪১ লাখ ব্যারেল ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্টকম এই নৌচলাচলকে পুরোপুরি অস্বীকার করে জানিয়েছে, গত তিন মাসের অবরোধ চলাকালীন তাদের বাহিনী ১৩৫টি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ অকেজো করে দিয়েছে। মার্কিন রাজস্ব বিভাগ জানিয়েছে, অর্থনৈতিক বর্জন অভিযানের মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা হয়েছে।