নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার এজেন্টসহ ১৫ জুয়ারি আটক
নওগাঁর মান্দায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার পরিচালনাকারী হিসেবে পরিচিত এক যুবকসহ ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২১ টি মোবাইল ,পাঁচটি ল্যাপটপ, ১৬ টি পার্সোনাল কম্পিউটার এবং জুয়ার কাজে ব্যবহৃত নগদ এক লাখ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর বাজার এবং ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।আজ শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল গ্রুপে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া গ্রামের সোহেল হোসেন (২৪) ও রবিউল ইসলাম (১৯), আল আমিন(২৮) ও তার ভাই আল মামুন (২২), শাকিল বাবু (১৯), বদিউজ্জামান (২০), শাফায়েত রাব্বি (১৯), আরিফ হোসেন (৩০) ও মুশফিকুর রেজা (২২), রবিউল ইসলাম (২৬), নাইস বাবু (২৫), রোমান বাবু (২১), নাজমুল হোসেন (২৭), আলমগীর হোসেনের ছেলে শাফায়েত (১৯) এবং নিয়ামতপুর উপজেলার মুড়িহারী গ্রামের সোহেল রানা (২০), পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, মান্দা থানার প্রসাদপুর বাজার এলাকায় কিছু যুবক বাসা ভাড়া নিয়ে অনলাইন জুয়া কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মান্দা থানা পুলিশের বিশেষ একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় প্রধান জুয়ারি সোহেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে আরও কয়েকজন জুয়া খেলায় লিপ্ত ছিলো। তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৬টি মোবাইল, ২ টি ল্যাপটপ এবং পাঁচটি কম্পিউটার উদ্ধার করা হয়। সোহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশ্ববর্তী আরেকটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে এক সঙ্গে ১২ জন জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫ টি মোবাইল, ১১টি কম্পিউটার এবং ৩ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সুপার আরও বলেন, তাদের এই পরিচালিত জুয়া সেন্টারে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে মানুষ জুয়া খেলতো। এছাড়া তারা এই জুয়ার পাশাপাশি কিছু অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলেও আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মোবাইল এবং কম্পিউটারে মোটা অঙ্কের ডলার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তারা মানি লন্ডারিংয়ের সাথে জড়িত বলেও ধারণা করা যাচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এর একাধিক ধারায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
