গাবতলীতে কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী ও তার ছেলে ৯০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও
বগুড়ার গাবতলীতে সেকেন্দার আলী নামের এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৪৮) ও তার ছেলে মশিউর রহমান আরিফ (৩০) কৌশলে প্রায় ৯০লাখ টাকা নিয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছেন। কাউকে চাকুরী দেয়ার নামে, কাউকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার নামে, আবার নিকটজনদের কাছ থেকে ধার স্বরুপ ওই টাকাগুলো কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছেন মা ও ছেলে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের চকডঙর গ্রামে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীরা গত ২৩এপ্রিল গাবতলীর ইউএনও’র নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযোগসূত্রে ও সরেজমিনে জানা গেছে, ওই চকডঙর গ্রামের সেকেন্দার আলী নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন থেকে কুয়েতে চাকুরী করছেন। সেকেন্দার আলী ভালো বেতনে চাকুরী করায় তার স্ত্রী-সন্তানদের সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়।
এই বিশ্বাসকে পুঁজি করে সেকেন্দারের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৪৮) ও তার ছেলে মশিউর রহমান আরিফ পরিকল্পিতভাবে অতি গোপনে নিকট আত্মীয়, নিজের গ্রাম (চকডঙর) ও এর আশপাশ এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাকুরী দেয়ার নামে ও ধার স্বরুপ প্রায় ৯০লাখ টাকা নিয়ে নিজ বাড়ী থেকে উধাও হয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রতারক মরিয়ম বেগমের আপন ভাগ্নি ভুক্তভোগী মুন্নী আকতার জানান, খালাতো ভাই মশিউর রহমান আরিফের সরকারি চাকুরী হয়েছে। ৯ লাখ টাকার খুব দরকার। অনুরোধের প্রেক্ষিতে এনজিও থেকে৯লাখ টাকা ঋণ নিয়ে খালা মরিয়মের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এভাবে চকডঙর গ্রামের মাহমুদা বেগমের কাছ থেকে ৯ লাখ ট, রঞ্জনা বেগমের কাছ থেকে ৭লাখ ,মনোয়ারা বেগমের ২ লাখ, সাজেদা বেগমের ৩ লাখ ৬০ হাজার, মিতু বেগমের ৩ লাখ ৮হাজার, রুস্তমের ৬লাখ ২০হাজার , সহিদুলের ১ লাখ , জেসমিন বেগমের ১লাখ টাকা-এভাবে প্রায় ৮০/৯০জনের কাছ থেকে প্রায়৯০লাখ টাকা নিয়ে মা ও ছেলে আত্মগোপনে যান।এ ব্যাপারে গাবতলীর ইউএনও মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
