আমরা সেদিন চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম: বুলবুল
সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছিলেন সাবেক বিসিবি সভাপতি বুলবুল।
এছাড়া আর তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি। তবে এবার দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান। যেদিন বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়, সেদিন দুপুরে পূর্বাচলে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন বুলবুল। বিকালে বোর্ডে এসে জানতে পারেন তার বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এরপর বিসিবি ছেড়ে আসতে বাধ্য হন বলে জানিয়েছেন সাবেক এই বিসিবি প্রধান। সেদিনের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে বুলবুল বলেন, ‘পূর্বাচল থেকে আসার পরে শুনলাম যে আমাদের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
তখন হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা একটা রাজনৈতিক অফিস হয়ে গেছে। শত শত লোক আসা–যাওয়া শুরু করলো। একপর্যায়ে পাইলট আমাকে অনুরোধ করে বলল, “ভাই, চলেন চলে যাই।” তখন (নাজমূল আবেদীন) ফাহিম ভাই, আমি আর পাইলট বোর্ডে ছিলাম। আমরা সেদিন চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’এভাবে বোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে তা ভাবতে পারেননি বুলবুল। তিনি বলেন, ‘আমি অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলাম। ২০টা সহযোগী সদস্যদেশের সঙ্গে কাজ করেছি, আফগানিস্তানের সঙ্গেও কাজ করেছি। সরকারের একটা চর্চা দেখেছি, একটা বোঝাপড়াও ছিল, যেটা সাধারণত ঘটে থাকে বিশ্বে।
আরেকটা জিনিস আমাকে সব সময় আত্মবিশ্বাস দিত, আমার কাছে মনে হচ্ছিল দেশটা বদলে গেছে।’ কীভাবে বদলে গেছে তার ব্যাখ্যায় জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘বদলে গেছে মানে খেলা ও রাজনীতি একসঙ্গে যাবে না। আমরা কিন্তু খুব জোর গলায় কয়েকটা কথা বলেছি যে খেলোয়াড়েরা রাজনীতি করতে পারবে না। সাকিব, মাশরাফি, দুর্জয়—যারা রাজনৈতিকভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল, আমরা বলেছি যে খেলোয়াড় রাজনৈতিক হতে পারবে না। কিন্তু রাজনীতিবিদ কীভাবে তাহলে খেলায় আসে? মানে রাজনীতিবিদদের কাজ তো রাজনীতি করা।’
