Joy Jugantor | online newspaper

থাইল্যান্ড থেকে ১৭৮ কোটি টাকার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:৫৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৬

থাইল্যান্ড থেকে ১৭৮ কোটি টাকার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

থাইল্যান্ড থেকে ১৭৮ কোটি টাকার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে থাইল্যান্ড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে থাইল্যান্ডের ‘প্রাইম ক্রপ ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড’ থেকে এই বিশাল পরিমাণ তেল আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই তেল ক্রয়ে সরকারের মোট ব্যয় হবে ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকা ৫০ পয়সা, যেখানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা।সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় কেবল সয়াবিন তেলই নয়, দেশের জরুরি চাহিদা মেটাতে মসুর ডাল, সার এবং জ্বালানি তেল আমদানির পৃথক প্রস্তাবগুলোতেও সম্মতি দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। বাণিজ্য ও কৃষি খাতের সরবরাহ চেইন সচল রাখতে এসব পণ্য দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয়ের ফলে পণ্যের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার কথা বিবেচনা করে সয়াবিন তেলের এই মজুদ বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান যে, পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং দ্রুততাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে ভোজ্যতেলের বর্তমান বাজার পরিস্থিতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং রমজান বা আসন্ন মাসগুলোতে কোনো ধরণের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামার প্রেক্ষাপটে থাইল্যান্ডের এই প্রতিষ্ঠানের দরপত্রটি সরকারের জন্য সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক বলে বিবেচিত হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক রেখে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপরও জোর দিচ্ছে।