সিরাজগঞ্জে শীতে কাঁপছে যমুনাপাড়ের মানুষ
সিরাজগঞ্জে তীব্র শীতে কাঁপছে যমুনাপাড়ের জেলার মানুষ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন, সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন।বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল জানান, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।অন্যদিকে তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এটি চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে যমুনাপাড়ের পুরো এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
সোমবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে বিস্তীর্ণ অঞ্চল।শীত ও কুয়াশার কারণে কর্মদিবস হলেও খুব কম সংখ্যক মানুষ বাইরে বের হয়েছেন। এতে রিকশা ও অটোরিকশাচালকরা কাজ না পেয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। নির্মাণ শ্রমিক, মাটি কাটার শ্রমিক ও দিনমজুররা স্বাভাবিক কাজ করতে পারছেন না। অটোরিকশা শ্রমিক নুর মিয়া, নজরুল ও সোহাগ জানান, দুপুর গড়িয়ে গেলেও তারা ২০০ টাকা আয় করতে পারেননি। নির্মাণ শ্রমিক নুর আলম, বাবু ও জসিম বলেন, শীতে হাত-পা ঠিকমতো চলে না। তারপরও পেটের তাগিদে কষ্ট সহ্য করে কাজে যেতে হয়।বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিস ও তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তারা জানান, হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে এবং এমন পরিস্থিতি আরও দুই থেকে তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
