Joy Jugantor | online newspaper

বগুড়ায় প্রতারণার অভিযোগে ‘মানবাধিকার কর্মী’ গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৫৭, ১২ মে ২০২১

আপডেট: ১২:১২, ১২ মে ২০২১

বগুড়ায় প্রতারণার অভিযোগে ‘মানবাধিকার কর্মী’ গ্রেফতার

বগুড়া ডিবি কার্যালয়।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা থেকে প্রতারণা অভিযোগে দেওয়ান আরিফুর রহমান আরিফ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার ইউনিট। গত সোমবার দিনগত রাত ১২ টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতার আরিফ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মৃত দেওয়ান আক্তারের ছেলে এবং গাইবান্ধা জেলা আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি।  এ ছাড়া বগুড়া শহরের হাউজিং এস্টেটের পদ্মা ভবনে তার নামে একটি ফ্লাট রয়েছে। 

পুলিশের সাইবার ইউনিট বলছে, আরিফ মূলত প্রেমের ফাঁদ ফেলে নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিতেন।  এমনকি বিভিন্ন লোকের টাকাও হাতিয়েছেন তিনি। 

পুলিশ জানায়, গত ২ এপ্রিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এমন একটি অভিযোগ আসে তাদের কাছে। সেই অভিযোগ তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর একটি অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযানে  শহরের হাউজিং এস্টেটের ওই বাসভবন থেকে আরিফকে ধরা হয়।  

গ্রেফতারের পর আরিফের ব্যবহৃত দুটি মোবাইলসহ একাধিক সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। এই দুই মোবাইলে বহুসংখ্যক মেইল এবং ফেসবুক একাউনন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও তার কাছে পাওয়া বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড জব্দ হয়।  

পুলিশ আরও জানায়, আরিফ নিয়মিত অভিযোগকারীসহ তার সংগঠন ও প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ফোন ট্র্যাক করতেন। এসব বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল মাজেদ সরকারের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, আরিফ তার সংগঠনের সহসভাপতি এবং তথ্য প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক।

ফোন ট্র্যাকের বিষয়ে আব্দুল মাজেদ বলেন, আরিফ তার ব্যবসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন ট্র্যাক করতেন। কিন্তু  আমাদের ফোনও যে ট্র্যাক করতেন এটা জানা ছিল না। আরিফ কয়েকমাস ধরে আমাদের সংগঠনের সাথে জড়িত। তার প্রতারণার বিষয়ে পুলিশ গ্রেফতার করার পর জানতে পারলাম।   

সাইবার ইউনিটের প্রধান পুলিশ পরিদর্শক এমরান মাহমুদ তুহিন জানান, প্রাথমিকভাবে তিনি অনেক কিছু স্বীকার করেছেন। আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে নিয়ে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।