নন্দীগ্রামে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট ও দুই সহযোগী গ্রেপ্তার
বগুড়ার নন্দীগ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া পরিচালনার তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। ভার্চুয়াল মুদ্রা লেনদেন করতেন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট পন্ডিতপুকুর এলাকার সোহেল রানা। দুই সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. আতোয়ার রহমান। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পন্ডিতপুকুর বাজারের মেসার্স দুই ভাই এন্টারপ্রাইজের গোডাউনের বারান্দায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে ডিবি। মাধবকুড়ি গ্রামে একটি বসতবাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার পন্ডিতপুকুর বাজার এলাকার আনছার আলীর ছেলে সোহেল রানা (২৮), বৃকঞ্চি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে এমরান হোসেন (২৯), মাধবকুড়ি গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে রেজাউল করিম তানসেন (৩২)। তারা অবৈধ ই-ট্রানজেকশনকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ। পৃথক অভিযানে অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ডিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত মোবাইল ফোনগুলো পর্যালোচনায় বিকাশ, নগদ, বাইনান্সসহ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার বড় অংকের আর্থিক লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। ওয়ান এক্সবেট, মবক্যাশ, রেড্ডি, মানি-গো, বাইবিটের মতো আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় জুয়ার অ্যাপসহ সাইট ব্যবহারের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে ডিবি।
