ছবি সংগৃহীত
মুদ্রার ধন হারিয়ে যায় কিন্তু কলমের ধন রয়ে যায় আজীবন। যখন নেমে আসে মৃত্যুর যবনিকা, মুছে যায় জীবনের রেখা, থাকে শুধু কলমের লেখা কাগজের পাতায়।
প্রযুক্তির উৎকর্ষে হাতে হাতে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ ও কম্পিউটার অনেকটায় কলমের কাজ করে দিচ্ছে, তাই বলে কী কলমের চাহিদা কমেছে? না একটুও কমেনি। কলম এমন একটা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যার প্রয়োজন রয়েছে সবখানে। কলম থেমে থেকে না। কলমের লেখা চলে অবিরাম। কলম লিখতে থাকে ন্যায়ের পক্ষে আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
কলম লিখতে থাকে আমাদর জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা প্রতিটা মুহূর্ত। কলমের লেখা আমাদেরকে উজ্জ্বল আগামীর স্বপ্ন দেখায় এবং উদ্দীপ্ত করে নতুন চেতনায়। আনন্দের শুভলগ্নে কলমের লেখা আমাদের অভিনন্দন জানায় আবার বেদনার বিষণ্ণ মুহূর্তে কালো কালির হরফে আমাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে। লেখক, কবি ও সাহিত্যিক কলম দিয়ে লিখে থাকেন অনেক রুপকথার গল্প।
জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষার্থী ও জাতির বিবেক শিক্ষক কলমের লেখায় জীবনকে করে তোলে আলোকিত। পুলিশ, জর্জ, ব্যারিস্টার ও উকিলের হাতে কলম থাকে ন্যায়ের পক্ষে আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে শ্রেষ্ট হাতিয়ার। ব্যবসায়ীদের হাতে কলম থাকে হিসাব-নিকাশের সহায়। সমাজের দর্পন সাংবাদিকবৃন্দ কলমের লেখার খরব পৌঁছে দেয় দেশ-দেশান্তর।
কলম আমাদের কথা শোনে এবং আমাদের হৃদয়ের কথা কাগজের বুকে লেখে। তাই কলমকে বানাতে হবে সত্যের প্রতিষ্ঠা আর মিথ্যা বিতাড়নের শ্রেষ্ট হাতিয়ার।
