Joy Jugantor | online newspaper

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতকে

ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব  প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:৫৭, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে-স্

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, গত ১৭ বছরের লুটপাট, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্যখাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল। সেই নাজুক অবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুরোপুরি সচল করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে দেশের পাঁচটি হাসপাতালে দ্রুতই চালু হচ্ছে উন্নতমানের টারশিয়ারি স্বাস্থ্যসেবা। প্রাথমিকভাবে রাজধানী ঢাকায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য শহরেও এ সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পিপিপি পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসেবা চালুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। রোগীদের কাছ থেকে সেবার বিপরীতে কত টাকা নেওয়া হবে, তা নির্ধারণে আগামী সপ্তাহে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য শহরেও এ উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হবে।দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ২০টি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়াও রয়েছে। এসব আইসিইউ চালু হলে শিশু ও সংকটাপন্ন রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে।তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক সংকট দূর করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নতুন করে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। আবেদন গ্রহণ শেষে বর্তমানে সাক্ষাৎকার পর্ব চলছে। এ নিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের চিকিৎসক সংকট অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।বগুড়ার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট নিরসন, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সার্বিক সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বগুড়ায় নতুন করে ১৭ জন চিকিৎসককে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার সমস্যাগুলোর তালিকা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ১৫টি হাসপাতালে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বগুড়াসহ দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মোনোয়ারুল কাদির বিটু সভাপতিত্ব করেন। এতে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ও বিএনপি মিডিয়া সেল এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ ওয়াদুদুল হক তরফদার নাহিদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান, ডাঃ শাহ মোঃ শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।