Joy Jugantor | online newspaper

আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত মুখ,

মাহিদুল ইসলাম গফুরকে বগুড়া সিটিতে নেতৃত্ব প্রদানের জোড়ালো দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:৪১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মাহিদুল ইসলাম গফুরকে বগুড়া সিটিতে নেতৃত্ব প্রদানের জোড়ালো দাবি

আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত মুখ,মাহিদুল ইসলাম গফুরকে বগুড়া সিটিতে নেতৃত্ব প্রদানের জোড়ালো দাবি

আন্দোলনের অভিজ্ঞতা ও নির্বাচনী সক্ষমতায় বগুড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে মাহিদুল ইসলাম গফুর একটি দীর্ঘদিনের পরিচিত, পরীক্ষিত এবং তৃণমূল-সংযুক্ত নাম। সাবেক সদর  উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সদর থানা বিএনপি এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সক্রিয় সৈনিক হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রাপথ কেবল পদ-পদবীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মাঠঘাট, পথপ্রান্তর, অলিগলি থেকে শুরু করে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়া এক বিস্তৃত গণসংযোগের ইতিহাস।রাজনৈতিক শক্তিমত্তার প্রমাণ হিসেবে অতীত নির্বাচনী ইতিহাস রাজনৈতিক বিশ্লেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড। এই সূচকে মাহিদুল ইসলাম গফুরের অবস্থান শক্তিশালী।বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো জামায়াত ইসলামী নেতা আবিদুর রহমান সোহেলকে তিনি সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন, যা কেবল একটি বিজয় নয়; বরং তা ছিল জনআস্থা, সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোট ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার শক্তিশালী প্রমাণ।

তৃণমূলভিত্তিক জনপ্রিয়তার সমাজ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণগবেষণামূলকভাবে একজন সম্ভাব্য নগর নেতৃত্বকে মূল্যায়নে সাধারণত ঘাটে-মাঠে, পথে-প্রান্তরে, অলিতে-গলিতে, বাড়ি বাড়ি পদচারণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের মানবিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি ছিল। চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে বিনা স্বার্থে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, অসহায় মানুষের পাশেই দাঁড়ানো, জনসেবামূলক উদ্যোগ। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, জেল-জুলুম, মামলা-হুলিয়া সহ রাজনৈতিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা—যা রাজনৈতিক কমিটমেন্টের ঐতিহাসিক সাক্ষ্য বহন করে।শাহজাহানপুরকে পৃথক উপজেলা প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটে তার অবদান এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় সক্রিয়তা তাকে শুধু রাজনীতিক নয়, নীতিনির্ধারণ-সম্পৃক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবেও চিহ্নিত করে।নতুন ঘোষিত বগুড়া সিটি্ কর্পোরেশনের বর্ধিত ওয়ার্ডসমূহে গ্রহণযোগ্যতা তাকে নেতৃত্বের পদে বাস্তবসম্মত সম্ভাবনাময় মুখে পরিণত করেছে।

কেন মাহিদুল ইসলাম গফুর?দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দীর্ঘ পথচলার নেতৃত্বের পরিপক্বতা তাকে অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী করে তুলেছে। পরীক্ষিত ভোট-জয়ের রেকর্ড ৪০ হাজার ভোটে বিজয় একটি শক্তিশালী  তৃণমূল-সংযুক্ত জননেতা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাকে কাগজে নয়, বাস্তবভিত্তিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক জেল-জুলুম, মামলা-হুলিয়া পেরিয়ে সংগ্রামী রাজনীতির ধারাবাহিকতা।নতুন সিটি কর্পোরেশনে জয়ের সম্ভাবনা পুরাতন পৌরসভা ও বর্ধিত ওয়ার্ড মিলিয়ে বিস্তৃত ভোটব্যাংক।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়নরাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান অনুযায়ী, তার জয়ের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।