Joy Jugantor | online newspaper

আলু চাষ করে বিপাকে বগুড়ার কৃষক, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

সাজাহাপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৩৩, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আলু চাষ করে বিপাকে বগুড়ার কৃষক, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আলু চাষ করে বিপাকে বগুড়ার কৃষক, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

বগুড়ায় চলতি মৌসুমে লাভের আশায় আলু চাষ করে চরম লোকসানে পড়েছেন কৃষকরা।নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি মাত্র ৮ থেকে ৯ টাকায়। এর সঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত খাজনা দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ফলে উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় গত বছরের মতো এবারও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন আলু চাষিরা।শাজাহানপুর উপজেলার চাঁদবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, ২ বিঘা জমিতে আলু চাষ করছি। প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) ফলনের আশা করছি। বর্তমান বাজারে প্রতি বস্তা আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। এতে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় হলেও খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। ফলে এবছরও বিঘাপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে।মানিকদীপা বিন্নাচাপড় গ্রামের কৃষক নুরুন্নবী বলেন, ১ বিঘা জমিতে আলু চাষে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু বিক্রি করে পেয়েছি মাত্র ২৫ হাজার টাকা।

গত বছরের মতো এবারও লোকসান গুনতে হলো।খোদাবন্দবালা গ্রামের কৃষক আতিকুল ইসলাম বলেন, আলুর বাজারদর স্থিতিশীল করতে সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি। তিনি অসহায় কৃষকদের বাঁচতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ জানান, বাজারে চাহিদা কম থাকায় আলু বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক কৃষক ঋণ করে চাষ করেছেন, কিন্তু কম দামে বিক্রি করে ক্ষতির মুখে পড়ছেন।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০ হেক্টর জমির আলু তোলা হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার আমিনা খাতুন বলেন,  কৃষি বিভাগের দাবি, তারা উৎপাদন ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে; বাজারদর নির্ধারণ কৃষি বিপণন বিভাগের বিষয়।তবে তিনি জানান আলুর দাম বৃদ্ধিতে নতুন সরকারের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানির বিষয়েও আলোচনা চলছেএদিকে আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজার স্থিতিশীল করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষী কৃষকরা।