Joy Jugantor | online newspaper

আরিয়ানকে ফাঁসানো সমীর চাকরি হারাবেন: নবাব মালিক

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩:৪২, ২৭ অক্টোবর ২০২১

আরিয়ানকে ফাঁসানো সমীর চাকরি হারাবেন: নবাব মালিক

ছবি : সংগৃহীত

মাদককাণ্ডে শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান ধরা পড়ার পর থেকেই ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক বারবার দাবি করেছেন, শাহরুখপুত্রকে ফাঁসানো হয়েছে।

এর জন্য অভিযোগের আঙুল তুলেছেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং এনসিবি কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের দিকে।  খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

আবারও একই দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক। শুধু তাই নয়, এবার সমীরের চাকরি হারানোর হুশিয়ারি দিলেন। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করলেন এ এনসিপি নেতা।

মালিক বলেন, আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক মাদকচক্র ধরাই এনসিবির কাজ। সামান্য পরিমাণ মাদকসংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখা পুলিশের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। এনসিবি গত ৩৫ বছরে এ ধরনের কাজ করেনি।

মালিকের অভিযোগ, এই খেলা শুরু হয়েছে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর মামলাকে ঘিরে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা ছিল। হাইকোর্টও রিয়াকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। তার পরই হঠাৎ করে দেখা গেল বলিউডের বেশ কয়েকজনকে এ বিষয়ে ডাকা হলো। সেই তালিকায় ছিলেন ২৫ জন। কিন্তু কেন তাদের ডাকা হলো তার কোনো চার্জশিটও ছিল না।

তিনি আরও বলেন, এনসিবি এগুলোকে খোলা মামলা হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তাদের ইচ্ছামতো তলব করেছে। মাদকাসক্তদের রিহ্যাবে পাঠানো উচিত। যদি কেউ মাদক নিয়েই থাকেন, তা হলে তার পরীক্ষা করানো হোক। প্রমাণিত হলে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। কিন্তু এনসিবি এ ধরনের কাজ করে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

মালিকের মেয়ের জামাইও মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ঘটনাচক্রে এনসিবিকর্তা ওয়াংখেড়েই সেই মামলার তদন্ত করছিলেন। সেই ঘটনার রেশ টেনেই কি সমীরের ওপর চটেছেন মালিক?

এনসিপি নেতার দাবি, তার জামাইয়ের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আরিয়ানের ঘটনায় অবিচার করা হচ্ছে। তার কথায়— যখন আমার জামাই গ্রেফতার হয়েছিল, তখন বলেছিলাম— আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। বিচার বিভাগ এ মামলার সিদ্ধান্ত নেবে।

গ্রেফতার হওয়ার আট মাস পরই জামিনে ছাড়া পান মালিকের জামাই। এ প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা বলেন, তখনও বলেছিলাম— জামাইকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে। কোনো  কিছুই পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকে।

সমীরের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণও হাতে রয়েছে বলে দাবি মালিকের। তার বিরুদ্ধে মামলা করে তদন্ত করা হবে। তখনই ঘুসচক্রের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসবে।

ঘটনাচক্রে, সমীরের বিরুদ্ধে এ মামলায় ২৫ কোটি রুপি ঘুস দাবির অভিযোগ উঠেছে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছেন, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চক্রান্ত চলছে।