Joy Jugantor | online newspaper

জুলাইশক্তির ঝগড়াঝাটি বনাম শেখ হাসিনার কৌশলগত বিজয়

ডাঃ মোঃ রমজান সরকার (সাজ্জাদ সাঈফ)

প্রকাশিত: ২১:৫৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

জুলাইশক্তির ঝগড়াঝাটি বনাম শেখ হাসিনার কৌশলগত বিজয়

জুলাইশক্তির ঝগড়াঝাটি বনাম শেখ হাসিনার কৌশলগত বিজয়

আওয়ামী স্টাইলে ৫ই আগস্টের পর হতে যারা ভিন্ন ভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ২৪কে ৭১ হতে আলাদা করতে অসাধারণ সব প্রোপাগান্ডা চালাইছে তারা মূলত ৭১বিরোধী আর মা'কে অস্বীকার কইরা বাপেরে নিয়া সেই ব্যবসারই আয়োজন করতেছে ৭১ নিয়া আওয়ামী লীগ যেই ব্যবসাটা করছে ও করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ জুলাই ভুলে যায় নাই। জুলাইয়ের পর কারা মানুষকে বিভ্রান্ত কইরা জুলাই ঐক্যরে ধ্বংস কইরা হাসিনাপন্থী দোষারোপ গুজবের বিজনেস চালু করছে সেগুলিও বাংলাদেশের মানুষ জানে। কথা হইল ৫ই আগস্ট বিশ্ব ইতিহাসের এমন একটা দিন যেইদিন আল্লাহর খাস রহমত নিয়া স্বয়ং ফেরেশতারা ঢাকার রাজপথে জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষিত রাখছিল। ওরা অনেক পরিকল্পনা কইরাও সারেন্ডার করছিল দেশপ্রেমের সামনে। 

একইভাবে মহান আল্লাহ পাক বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর যে কোনো শক্তিশালী প্রোপাগান্ডাকেই ধ্বংস দেখায় ছাড়বেন ইনশাআল্লাহ। আরেকটা কথা আপনি যখন সারাদেশে পোলাপাইনরে প্রশাসনিক সুবিধা দিয়া নির্দিষ্ট কারো নামে সারা বছর সারাদিন অশ্রাব্য কটুক্তি, গালাগালির মশাল মিছিল, ফেসবুক ইউটিউবে নোংরামি করবেন আর সেই লোক সারা বছর ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য ডাকবেন তার কাছে ঐক্যের বদলে যথারীতি নোংরামির উদ্দেশ্যে দেখাসাক্ষাৎ কইরা আইসা হাসিনার মত সেম কুটনামি চালাইতে থাকবেন আর আশা করবেন সে একবারও আপনাকে উপযুক্ত জবাব দিবে না এইটা তো হাসিনার চেয়েও জঘন্য চরিত্রের ইঙ্গিত দেয় জনাব। হাসিনার পরিবার ৭১ এর মালিক আর আপনি সদলবলে জুলাইয়ের মালিক হিসাবে তো একই সমান চেতনা ব্যবসায়ী রে ভাই। বুঝলাম শ্রীলঙ্কা নেপালের পরিবর্তন দেইখা কিছুই শিখেন নাই কারণ তারা বিধর্মী তাহলে রাসুলুল্লাহ সাঃ কেন তার সাহাবিদের বিধর্মী দেশগুলাতে পাঠাইতে বলতেন কেন?

যা হোক স্কলারদের সাথে আমার মত বাংলা ভাষার সামান্য মিস্ত্রির তর্কে যাওয়া বেমানান। আল্লাহ চাহে তো বাংলাদেশ কারো ধোকায় নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফাঁদে আর পড়বে না। বাংলাদেশ কৃষি-শিক্ষা-প্রযুক্তি-যোগাযোগ-শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি-বাণিজ্য ও মানবাধিকারে সম্পূর্ণ নতুন অবয়বে অচিরেই উপস্থাপিত হবে সারা দুনিয়ায়। যে বা যারাই ইতিহাসের নিকৃষ্টতর খুনী শোসক হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করবে দেশ জাতি ও দল সর্বস্তরেই তার অবস্থান হবে আস্তাকুঁড়ে। এবং এরই সাথে এই দেশে ইসলাম থাকবে রাসুল সাঃ নির্দেশিত উদারনৈতিক পরধর্মসহিষ্ণু সৌন্দর্যে মণ্ডিত। 

আসুন রাজনীতিকগণ নতুন প্রজন্মের কাছে আর হাসিনার ভয়ংকরতম সব বদভ্যাস চর্চার নজির না রাইখা জনকল্যাণমুখী আলোচনা বক্তব্য দিয়ে নির্বাচনের কাজ আগায় নিই। ভোট যে একটা জাতীয় উৎসব সেই নব্বই দশকীয় গ্রেট এভার অনুভূতিটা তরুণদের ন্যায্য অধিকারের মধ্যে পড়ে। কথায় সহিংসতা উস্কে দিয়ে প্রতিপক্ষকে উত্তেজিত করে মন্দ কাজে জড়িয়ে ফেলার চাল না দিয়ে মিলেমিশে দেশটা বিনির্মাণের তাগিদে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ চর্চা করি বরং। কারণ চলমান রাজনৈতিক মাঠে সক্রিয় সবার গায়েই ২৪ এ শহীদদের রক্তের দাগ লেগে আছে, সবার গায়েই শহীদ ওসমান হাদীর রক্ত লেগে আছে, হাসিনা-ওয়াকারের কৌশলমতন জুলাইশক্তি বিভক্ত থেকে ক্যাচালে লিপ্ত থাকলে দিনশেষে কে জিতবে বলেন, অবশ্যই হাসিনা জিতবে, আর কে হারবে? হারবে গোটা বাংলাদেশ।