Joy Jugantor | online newspaper

রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০০:০১, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের হাতে কাজ দাও, আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই। এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড আর এক হাতে মায়ের মর্যাদা লাঞ্ছিত করা কখনো চলবে না। রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে।’সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল-কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শফিকুর রহমান বলেন, যুবসমাজের আন্দোলনকে যারা ন্যায্য দাবির অংশ হিসেবে দেখেছে, তাদের লক্ষ্য ছিল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ন্যায্যতা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার পরিণতি এড়ানো যাবে না। তিনি বলেন, ‘মায়ের মর্যাদায় আঘাত এলে তা সহ্য করা হবে না।’যুবসমাজের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে ‘অসম্মানিত’ করা হবে না। বরং প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের দেশের নির্মাণে যুক্ত করা হবে।

তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, দেশের ভবিষ্যৎ পরিচালনায় যুবসমাজকে নেতৃত্বের আসনে দেখতে চান তিনি।নারীর নিরাপত্তা নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ঘর, পথ ও কর্মস্থলে নারী-সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নারীর মর্যাদা রক্ষা না হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।জামায়াত আমির আরও বলেন, দলটি কোনো একটি দলের বিজয়ের জন্য নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই লক্ষ্য অর্জন ছাড়া রাজনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণতা পায় না।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করার ভোট। তাঁর বক্তব্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত কোনো দলকে অপমান করার নীতি গ্রহণ করে না। প্রত্যেক দলকে নিজেদের পথে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, বন্দরকে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা হবে না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এই বন্দর জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দেশ গড়ার কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।