বগুড়ায় তারেক রহমানের আগমনের উপলক্ষে আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে নেতাকর্মীদের ঢল
দীর্ঘ ১৯ বছর আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বগুড়ার মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করবেন তিনি। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।নির্বাচনী সমাবেশ কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অঞ্চল ও জেলাগুলো থেকে থেকে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে দলটির নেতাকর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন। কেউ দলটির পতাকা হাতে, কেউ পতাকা সংবলিত ক্যাপ মাথায় পরে, আবার কেউ ধানের শীষ জড়িয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায়। শুধু বগুড়া শহর নয় বিভিন্ন অঞ্চলের ও জেলাগুলোর থেকে আসা নেতাকর্মীদ আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে নয় সাতমাথা ও খোকন পার্ক সহ আশেপাশে এলাকায় নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়।এর মধ্যে পুরো শরীর জুড়ে ১৩ কেজি ধানের শীষ গায়ে জড়িয়ে এসেছেন বগুড়া সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের হযরত আলী।
পেশায় তিনি চা বিক্রেতা। ধানের শীষ তার শার্টে সেলাই করে আটকিয়ে সভাস্থলে ঘুরছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তারেক রহমানের প্রতি তার ভালোবাসা ও সমর্থনের কথা জানাচ্ছেন।শুধু হযরত আলী নয়, তার মতো আরেক সমর্থককেও দেখা গেল, তিনিও ধানের শীষ গায়ে জড়িয়ে এসেছেন। কয়েকজন তো বাঁশের মাচার থাকে ধানের শীষ ঝুলিয়ে নিয়ে এসেছেন দলকে ভালোবেসে। তাদের এই ব্যতিক্রমী প্রচার সবার দৃষ্টি কাড়ছে।হযরত আলী বলেন, ‘‘জিয়া সরকার যখন খাল খনন করছিলেন, তখন থেকে আমি জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসি। তার সন্তান তারেক রহমানকেও আমি খুব ভালোবাসি। তিনি এই দেশের কৃতী সন্তান। এই দেশের জন্য তিনি মার খেয়ে লন্ডন গিয়েছিলেন।
লন্ডন থেকে ১৭ বছর পরে তিনি দেশে ফিরেছেন। তাকে দেখতে আমি এখানে এসেছি।’’ তিনি বলেন, ‘‘তারেক রহমানের কাছে আমার আর কিছু চাওয়া নেই। এই দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকে, এটাই আমার চাওয়া। আমার একটাই চাওয়া তার সঙ্গে আমি হাত মেলাব।’’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি পেশায় সাধারণ চা বিক্রেতা এবং কারো সাহায্য ছাড়াই ১৩ কেজি ধান দিয়ে নিজের এই বিশেষ পোশাক তৈরি করেছেন। বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলের থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ ১৯ বছর পর তারেক রহমান আমাদের বগুড়ায় আসছে। এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয় তাকে আমরা সামনে থেকে দেখব। এটা আমাদের অনেক বড় পাওয়া। আমরা আশাবাদী জনাব তারেক রহমান আগামীতে প্রধানমন্ত্রী হয়ে বগুড়ার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।
