Joy Jugantor | online newspaper

পলাশবাড়ীতে প্রচারণায় ব্যস্ত ইউনিয়ন জামায়াতের আমির  

পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:০৬, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

পলাশবাড়ীতে প্রচারণায় ব্যস্ত ইউনিয়ন জামায়াতের আমির  

পলাশবাড়ীতে প্রচারণায় ব্যস্ত ইউনিয়ন জামায়াতের আমির  

 আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার নিজ দলের পছন্দের ৩১ গাইবান্ধা- ৩ আসনের জামায়াত  মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু  কে বিজয়ী করতে দিনরাত ব্যাপক প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশাল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শামীম প্রধান। গণভোটকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকার হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছে।এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও পরিবর্তন জন্য ব্যাপক প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। পছন্দের প্রার্থীর বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী  হয়ে  দলীয় নেতা কর্মী এবং সমর্থকদের নিয়ে গ্রামে, গঞ্জে, হাটে, মাঠে-ঘাটে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে নানান প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন এই নেতা।

পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের উদ্দেশ্যে দেয়া প্রতিশ্রুতি হিসেবে ব্যাপক সাড়া অনুযায়ী দ্বারস্থ হচ্ছে ভোটারদের  । ইতিমধ্যে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মহিলাদের নিয়ে উঠানবৈঠক করা অব্যাহত রেখেছেন।এ সময় তিনি নারীদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমানের বার্তা অনুযায়ী সকল কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন সেই বার্তায়! নারীদের অধিকার ও কল্যাণের পরিবারভিত্তিক আর্থিক সহায়তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সব ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি করা, আইন প্রয়োগ করে সহিংসতা প্রতিরোধ করা সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি ১৭টি গ্রামে কর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করেছি। উপজেলার নারী ভোটারদের নিয়ে বেশি আশাবাদী।

বিগত তিনটি নির্বাচনে যারা ভোট দিতে পারেননি, তাদের মধ্যে এবার ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।আমাদের সকলের পছন্দের  প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু কে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয় সুনিশ্চিত করবে ইনশাল্লাহ। একইসাথে সনাতনীদের ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া মিলছে। তিনি আরো বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে দলের কর্মীরা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপপ্রচার ও সহিংসতা প্রতিরোধে ৮ ভোট সেন্টারে প্রতি সেন্টারে ৩১০ জন কর্মী সহ সর্বমোট ২৫০০ জন সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে।নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো বা জোর-জবরদস্তি প্রতিরোধ করা সহ শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবে।