Joy Jugantor | online newspaper

মেয়েদের লেখাপড়া ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

মেয়েদের লেখাপড়া ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের লেখাপড়া ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

খাল খননের ফলে কৃষক ভাইরা সুবিধা পাবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার অগ্রগতির জন্য ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়া ফ্রি করে দিয়েছিলেন। আমরা তারই ধারাবাহিকতায় মেয়েদের লেখাপড়া ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করে দেব। শুধু ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি-ই করব না; যে মেয়েরা ভালো ফল করবে, তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করব।”

নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একথা বলেন। এর আগে আজ সোমবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সুধী সমাবেশে তারেক রহমান আরও বলেন, “আমরা বলেছিলাম খাল খনন করব। আমরা ওয়াদা রক্ষা করেছি। আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আজকে এখানে শুরু করলাম। এর আগে দিনাজপুর দিয়ে আমি খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলাম। মা বোনদের শিক্ষার পাশাপাশি স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব বলেছিলাম। সেটার কাজও আমরা শুরু করেছি।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।

উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনও আছে। তাতে লেখা রয়েছে ‘উলসী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’