Joy Jugantor | online newspaper

জয়পুরহাটের দুই আসনে প্রতীক বরাদ্দ: কে পেলেন কী প্রতীক?

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:৫২, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

জয়পুরহাটের দুই আসনে প্রতীক বরাদ্দ: কে পেলেন কী প্রতীক?

জয়পুরহাটের দুই আসনে প্রতীক বরাদ্দ: কে পেলেন কী প্রতীক?

জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।  আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে এই প্রতীক হস্তান্তর করা হয়।এরআগে এদিন সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: আল-মামুন মিয়া এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: মাহমুদ হাসান প্রার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় নির্বাচনের সময় আচরণবিধি মেনে চলা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে  ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান প্রতীক পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াতে ইসলামীর ফজলুর রহমান সাঈদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তৌফিকা দেওয়ান কাঁচি প্রতীক বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর ওয়াজেদ পারভেজ মই প্রতীক  এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক।এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৮৩ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৮৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছে ৮ জন।

মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫১টি।অন্যদিকে, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যে বিএনপির দলীয় প্রার্থী আব্দুল বারী পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াতে ইসলামীর এস এম রাশেদুল আলম পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী এস এ জাহিদ পেয়েছেন ঈগল প্রতীক।এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৭৭ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছে ২ জন। মোট ভোট কেন্দ্রে সংখ্যা ১০৪টি।ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালটে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।