Joy Jugantor | online newspaper

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যা জানা গেল

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২:৩৮, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যা জানা গেল

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যা জানা গেল

নির্বাচনের আগে নতুন পে-স্কেল না পেলেও সরকারি চাকরিজীবীরা মহার্ঘ ভাতা পাবেন। নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।আর্থিক সংকট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকার নতুন পে-স্কেল ঘোষণার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।সার্বিক দিক বিবেচনায়, নতুন পে স্কেল কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীরা বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পাবেন। এর আওতায় প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে এবং দশম থেকে ২০ গ্রেডের কর্মীরা ২০ শতাংশ হারে ভাতা পাবেন।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গঠিত পে কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়নি।

কমিশনকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, যাতে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করা যায়। কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেয়া হবে, যা নির্বাচনের পর নতুন নির্বাচিত সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে।মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পে-স্কেল দেয়া বা না দেয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে।বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা অষ্টম বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, যা ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।

এর আগে ২০০৯ সালের ১ জুলাই সপ্তম বেতনকাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল। সাধারণত সরকার পাঁচ বছর অন্তর নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করে। তবে অষ্টম বেতনকাঠামো ঘোষণার ৯ বছরের বেশি সময় পার হলেও নতুন বেতনকাঠামো না আসায় অনেক কর্মচারীর বেতন গ্রেডের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে। মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে।এদিকে, ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিশনের মেয়াদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা, যা জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগেই প্রায় সমাপ্ত হবে।