Joy Jugantor | online newspaper

জমি জমা সংক্রান্তের জেরে সহোদর কতৃক

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের আভিযোগ

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৫৬, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের আভিযোগ

জমি জমা সংক্রান্তের জেরে সহোদর কতৃক

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে তুমি জমিজমা সংক্রান্তের জেরে আপন সহোদর কতৃক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গনেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঠিক বিচারের আশায় ভুক্তভোগী গণেশপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) বাদী হয়ে আপন ভাই ভাতিজা পাঁচজন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জনকে আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

স্থানীয় সূত্রেও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলামের সাথে তারই আপন ভাই রঞ্জু মিয়া (৩৫), শহিদুল ইসলাম (৫০) এবং শরিফুল ইসলাম (৪৫) এর সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি জমা সংক্রান্ত জেরে মন মালিন্য চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় জমির মূল মালিক শফিকুল ইসলামের বসতবাড়ি সংলগ্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মুদির দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে তার আপন ভাই সহ ভাতিজারা। এমন ঘটনায় স্থানীয়দের জনসাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন সাংবাদিকদের জানায়,প্রতিপক্ষরা আমাদের ভাগী শরীক হওয়ায় তাদের সহিত পূর্ব হইতে পারিবারিক ও জমা-জমি সংক্রান্ত বিষয়াদি লইয়া

মনোমালিন্য চলিয়া আসছে। এমতাবস্থায় আমাদের ভাই এবং ভাতিজারা জমা-জমি সংক্রান্ত কথাবার্তাকে কেন্দ্র করে এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দেশি অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বসতবাড়ী সংলগ্ন মুদি দোকানে আসিয়া মুদি দোকানসহ বসত বাড়ীতে অতর্কিত ভাবে হামলা করে মুদি দোকানের ভিতরের র‍্যাকসহ বিভিন্ন আইটেমের মালামাল বিনষ্ট করে অনুমান ৬০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে। একইসাথে ক্যাশ বাক্স হতে ১,৬৫,০০০/- (এক লক্ষ পরষট্টি হাজার) টাকা বাহির করে নেয়। 

নাম বলতে অনিচ্ছুক এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী  সাংবাদিকদদের জানায়, দোকানে অতর্কিত হামলা চলাকালীন দোকানদার শফিকুল ইসলাম প্রাণনাশের ভয়ে  পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রীর রোজিনা বেগম এবং ছেলে রানা বাবুর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে রঞ্জু মিয়া গংরা। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। এই ঘটনা নিরসনকল্পে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা, প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃস্টি আকর্ষন করে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও সার্বিক নিরাপত্তা দাবি করেন।