Joy Jugantor | online newspaper

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ফুল ও পেনশনের কাগজ তুলে দিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:০২, ২৩ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ২০:০৬, ২৩ আগস্ট ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ফুল ও পেনশনের কাগজ তুলে দিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ফুল ও পেনশনের কাগজ তুলে দিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসান ঘটিয়ে অবসর নেওয়া পাঁচ শিক্ষক ও পিআরএল-এ ( অবসর) যাওয়া এক শিক্ষককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিও) সায়েদুল ইসলাম। একই সঙ্গে ওই শিক্ষকদের হাতে পেনশন ও আনুতোষিক ভাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের দীর্ঘদিনের শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক অবদানের প্রশংসা করেন।রোববার দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ওই শিক্ষকদের সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়া সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এম এম মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।  অবসর ও পিআরএলে যাওয়া ওই শিক্ষকেরা হলেন, জেলার পত্নীতলা উপজেলার পাটিআমড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজা খানম, একই উপজেলার বাকরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বেগম নূর জামিলা, মহাদেবপুর উপজেলার নূরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলতাফ হোসেন, আত্রাই উপজেলার বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল খালেক, মান্দা উপজেলার কয়াপাড়া-কামারকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কান্তি কুমার সরকার এবং আত্রাই উপজেলার খোর্দবোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু হেনা মো. শফিকুল ইসলাম।  

অনুষ্ঠানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়েদুল ইসলাম বলেন, 'শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়; এটি মানুষ গড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে অবসর নেওয়া শিক্ষকের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের দেশে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা পেনশন ভাতা তুলতে নানা হয়রানির শিকার হন। আমি দায়িত্বে থাকাকালে কোনো শিক্ষক যাতে পেনশন ভাতার জন্য হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে চাই।' তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর অবসরজীবন কামনা করেন।পেনশন-সংক্রান্ত কাগজপত্র হাতে পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অবসরে যাওয়া শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, 'এত সহজে পেনশনের জন্য ডিপিও স্যারের আদেশের কপি হাতে পাব এটা কল্পনাও করিনি। শুনেছিলাম পেনশন চালু করতে নাকি ঘুষ দিতে হয়, হয়রানি হয়। কিন্তু আমার কোনো হয়রানি হলো না। পেনশনের কাগজ তো দিলেও সাথে ফুল দিয়ে সম্মান জানালো। এটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মান।'