শেরপুর মহাসড়কে জলাবদ্ধতা,ভোগান্তিতে পথচারী
সামান্য বৃষ্টিতেই বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের গাড়িদহ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন, পথচারী, মসজিদের মুসল্লি, স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।সরেজমিনে দেখা যায়, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের সড়ক ও নিচু এলাকাগুলো বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে রয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি নামতে পারছে না। ফলে আশপাশের বাড়িঘর ও দোকানপাটে পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, অল্প বৃষ্টিতেই এলাকাটি যেন ছোট জলাশয়ে পরিণত হয়।
বিশেষ করে মহাসড়কের পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কাদা ও পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারীরাও।স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল, রাশেদুল হক স্বপন, আলতাব হোসেন ও মুন্না বলেন, রাস্তা নির্মাণের পর থেকেই এ সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ছে, দোকানপাটেও ক্ষতি হচ্ছে।স্কুলছাত্র আরিফ ও স্কুলছাত্রী সুরাইয়া জানায়, বিকল্প রাস্তা না থাকায় তাদের কাদা ও জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই স্কুলে যেতে হয়। এতে প্রায়ই পোশাক নষ্ট হচ্ছে এবং চলাচলে ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।শেরপুর সড়ক উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) শেখ রুহুল আজম বলেন, মহাসড়কের ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে।
