Joy Jugantor | online newspaper

এক ডালা গল্পের ঝুঁড়ি নিয়ে পরিবারের আনন্দ মেটাতে খাবারের স্বাদে ইয়ামিন 

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:৫২, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ২১:৫৩, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

এক ডালা গল্পের ঝুঁড়ি নিয়ে পরিবারের আনন্দ মেটাতে খাবারের স্বাদে ইয়ামিন 

এক ডালা গল্পের ঝুঁড়ি নিয়ে পরিবারের আনন্দ মেটাতে খাবারের স্বাদে ইয়ামিন 

ভোজন রসিক বাঙালিদের কাছে খাবার রয়েছে হাজারো পদের। নানা মানের নানা স্বাদের খাবার নিয়ে কালে কালে হয়েছে নানান গল্প। স্বাদ, পরিবেশ ও পারিবারিক অনুভূতির এক অনন্য মেলবন্ধন নিয়ে বগুড়ার জলেশ্বরীতলায় জেলখানা মোড়ে অবস্থিত ইয়ামিন আজ ভোজনরসিকদের কাছে সুপরিচিত নাম। রেস্টুরেন্টটি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নয়, বরং একেবারে অথেনটিক এরাবিয়ান খাবারের স্বাদ সমৃদ্ধ। রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে আরবি ঢঙে নির্মিত নান্দনিক সাজসজ্জা, আরবি ক্যালিগ্রাফি, দৃষ্টি কাড়া ঢালাও বসার ব্যবস্থা ও স্নিগ্ধ আলোকসজ্জা। যেন শহরের কোলাহল পেরিয়ে অতিথিরা প্রবেশ করছেন মধ্যপ্রাচ্যের মরুপ্রান্তরের এক ভিন্ন জগতে। ভোজনরসিকদের জন্য মেন্যুতে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় খাবার লাহাম মাকলুবা, লাহাম মাজবুজ, কাবসা, ফিশ মেনদি, কিবদা, অ্যারাবিক শর্মা, স্যুপ, কাবাব, হুম্মাসসহ নানা স্বাদের আরবীয় পদ।

অ্যারাবিয়ান খাবারের পাশাপাশি ইয়ামিনে রয়েছে মোমো, দই ফুচকা, বার্গারসহ নানা মুখরোচক আইটেম। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনায় রেখে তুলনামূলক কম দামে মানসম্মত খাবার পরিবেশন করাই ইয়ামিনের অন্যতম লক্ষ্য। শীত মৌসুমে ইয়ামিনে যোগ হয়েছে বিশেষ আয়োজন। শীতের সন্ধ্যায় ধোঁয়া ওঠা ঐতিহ্যবাহী মালাই চা আর তার সঙ্গে পোড়া রুটির অনন্য স্বাদ যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায় চেনা বাঙালি অনুভূতিতে। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার টেবিলে এক কাপ গরম চা হাতে পেলে সন্ধ্যাটা হয়ে ওঠে আরও উষ্ণ ও পরিপূর্ণ। ইয়ামিনে পরিবার নিয়ে খেতে আসা মুক্তি আক্তার ও সুমী আক্তার তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, চায়ের উষ্ণতা আর পোড়া রুটির মিষ্টি স্বাদ নিতে প্রায়ই ইয়ামিনে আসি।

এক ডালা গল্প করতে করতে কখন যে এক দু'ঘন্টা পার হয়ে যায় টেরই পাওয়া যায় না। শীতের দিনে সন্ধ্যার পর এক কাপ গরম চা হাতে পেলে সবকিছু যেন ঠিক হয়ে যায়। এখানকার খাবারের আইটেমগুলো খুবই সুস্বাদু, স্বাস্থ্যকর ও মুখরোচক।আকবরিয়া লিমিটেড এর চেয়ারম্যান হাসান আলী আলাল জানান, দৃষ্টিনন্দন পরিবেশের মাঝে উৎফুল্ল চিত্তে রসনার তৃপ্তি মেটাতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ইয়ামিনে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ক্রেতার সমাগম হচ্ছে। পরিবার থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম সবাই এখানে আসছেন। আমরা চাই, ইয়ামিন হোক এমন একটি জায়গা, যেখানে পরিবার নিয়ে এসে মানুষ আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসার স্বাদ একসঙ্গে উপভোগ করতে পারে।