বর্ষায় ‘বেগুন গাছে টমেটো’ চাষ!
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বাঁশঝাড় ও রাস্তার ধারে জন্মানো জংলি বেগুন গাছে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো ফলিয়ে চমক দেখিয়েছেন কৃষক মো. শহিদুল্লাহ। বর্ষাকালে ঢলে পড়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এ পদ্ধতিতে তিনি শতভাগ সাফল্য পেয়েছেন।
ডৌহাখলা ইউনিয়নের তাঁতকুড়া গ্রামের এ কৃষকের খেত দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে কৃষকরা ছুটে আসছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বিষমুক্ত টমেটো কিনতে আগ্রহী।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় পলিনেট হাউজে ৫ জুন গ্রাফটিং করা হয়। ৬৭ দিনে ফলন আসে। এক হাজার গাছের মধ্যে ৯৯৮টিতে টমেটো ধরেছে, একটিও ঢলে পড়া রোগে আক্রান্ত হয়নি।
উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি বলেন, এ পদ্ধতিতে রোগবালাই কম হয়, কীটনাশকের প্রয়োজন নেই এবং লাভজনক ফলন পাওয়া যায়। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সুমন চন্দ্র সরকার জানান, গ্রাফটিং প্রযুক্তি ঢলে পড়া রোগ থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেয়।শহিদুল্লাহ জানান, ১০ শতাংশ জমিতে ১৮ হাজার টাকা খরচ করে প্রথম উত্তোলনেই ৭০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি ১৮০–২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্ষার বাজারে চাহিদা থাকায় আরও ৪০–৪৫ হাজার টাকার টমেটো বিক্রির আশা করছেন।
