এমপি মোরশেদ মিলটনের বিরুদ্ধে অপ্রচারের প্রতিবাদে গাবতলীর সোনারায়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
বগুড়া গাবতলীর তছলিম উদ্দিন তরফদার ডিগ্রি কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: আমিনুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে গত ২ নভেম্বরে বগুড়া-৭ আসনের এমপি মোরশেদ মিলটনকে জড়িয়ে বিভিন্ন মিথ্যা বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের আটাপাড়া বাজারে সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গদল ও স্থানীয় জনসাধারণের আয়োজনে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান রাজা মন্ডল, মোমিনুল হক দীপু, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আজাদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রুহুল হাসান রুহিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান হিরু, যুবদলের খোরশেদ আলম, শাহ সুলতান, রনি, জুয়েল, ওমর, সেলিম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মামুন মোল্লা পলাশ।
ছাত্রদলের দুলাল মোল্লা, মৎস্যজীবিদলের শাজাহানসহ আরো অনেকে। উল্লেখ্য, সোনারায় তছলিম উদ্দিন তরফদার ডিগ্রি কলেজ ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সাথেই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসলেও এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করে। এ নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম থাকা স্বত্তেও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য দালাল সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। এরপর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পছন্দের মাসুদুর রহমান সভাপতি হবার পর থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শিক্ষা কার্যক্রমের কোন নজর না রেখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সভাপতি শুধুমাত্র নিয়োগ বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এবারের এইচএসসির ফলাফল শূন্যের কোটায় নেমে আসে। এদিকে এইচএসসির ফলাফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ৭দিনের মধ্যে জবাব চেয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: আমিনুল ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন গাবতলীর ইউএনও হাফিজুর রহমান।
