আদমদীঘিতে রাসায়নিক স্প্রে করে ধান নষ্টের অভিযোগ,ক্ষতি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা
নওগাঁর আদমদীঘিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রাসায়নিক আগাছানাশক স্প্রে করে ধান নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক নজরুল ইসলাম।২৮ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে সরেজমিনে জমিতে গিয়ে ধানের আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চিত্র দেখা যায়।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর গ্রামের মৃত আয়জান আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, দাতা আফতাব উদ্দিন সরকার পশুরামপুর মৌজার জেএল নম্বর ১৩০, এসএ খতিয়ান নম্বর ৭৯ ও হাল খতিয়ান নম্বর ১৫৫-এর ১৭২ দাগে থাকা মোট ৩ দশমিক ৪৩ একর জমির মধ্যে ২ দশমিক ৭২ একর জমি আব্দুল মান্নান, এনামুল, নজরুল ও আয়জান আলীর নামে কবলা দলিল করে দেন।ওই জমিতে চলতি আমন মৌসুমে ধান রোপণ করেন নজরুল ইসলাম।
]তাঁর অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে জমি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন দিনের বেলায় তাঁর জমিতে রাসায়নিক স্প্রে করে ধান নষ্ট করেন। এতে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।নজরুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হোসেন সরকারের নির্দেশে রেজাউল, মোস্তাফিজুর ও মেহেদী হাসান তাঁদের বাবা আফতাব হোসেনের অঙ্গীকার ভঙ্গ করে জমিতে গিয়ে তাঁর ক্ষতি করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করছেন।তবে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গেলে পেশায় কীটনাশক বিক্রেতা পলাশ হংসদার বলেন, জমির মালিক নজরুল ইসলাম নন। মূল মালিকের নির্দেশে তিনি জমিতে পোকা দমনের ওষুধ দিতে গিয়েছিলেন, কোনো ক্ষতিকর বিষ দেননি বলে দাবি করেন তিনি।আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এসআই আল আমিনকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
