Joy Jugantor | online newspaper

শেরপুরে নারীসহ গৃহবন্দী প্রভাষক, পরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:১৯, ২২ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরে নারীসহ গৃহবন্দী প্রভাষক, পরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

শেরপুরে নারীসহ গৃহবন্দী প্রভাষক, পরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রহিমা নওশের আলী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক (প্রভাষক) ইউনুছ আলীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয়রা তাঁকে অবরুদ্ধ করার পর তিনি কৌশলে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার ছোনকা বাজার এলাকায় তাঁর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে এক নারীকে নিয়ে ছোনকা বাজার এলাকার নিজ বাড়িতে প্রবেশ করেন প্রভাষক ইউনুছ আলী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাঁর স্ত্রী বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে তিনি ওই নারীকে নিয়ে ভেতরে ঢোকেন এবং বাড়ির সব আলো নিভিয়ে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে আনুমানিক দুই ঘণ্টা পর তাঁরা সেখানে গিয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন।

পরে ইউনুছ আলী ঘরের দরজা খুলে দিলে উপস্থিত লোকজনের কাছে ওই নারীকে তাঁর 'দ্বিতীয় স্ত্রী' হিসেবে পরিচয় দেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে দ্বিতীয় বিয়ের সত্যতা পাননি। পরবর্তীতে উত্তেজিত এলাকাবাসী তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলে শিক্ষক ইউনুছ আলী কৌশলে স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যান।এ বিষয়ে ইউনুছ আলীর শ্যালিকা শিরিন আক্তার বলেন, "খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের আটকে রাখার বিষয়টি দেখে এসেছি। তাঁর এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলতে প্রভাষক ইউনুছ আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে আমি পরে কথা বলব।" এ কথা বলেই তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।