Joy Jugantor | online newspaper

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৩৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২০:৩৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ

বদলগাছীতে জমি নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনায় সাংবাদিক উপস্থিত না থেকেও আসামি। বিভিন্ন পত্রিকায় এমন শিরোনামে সংবাদ  প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল এমরান হোসেনের ইন্ধনে সাংবাদিককে আসামি করা হয় এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে জড়িয়ে করা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল এমরান হোসেন।মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদে তার কার্যলয়ে এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি জানান, সাংবাদিক রাসেল রানাকে হত্যা মামলায় আসামি করার ঘটনায় তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তাকে জড়িয়ে প্রকাশিত বক্তব্য ও অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।চেয়ারম্যান মো. আল এমরান হোসেন বলেন, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ওই ঘটনায় মাসুদ নামে এক যুবক মারা গেছেন। এর বাইরে আমি কিছুই জানি না।

সাংবাদিক রাসেল রানাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে আমার কোনো ভূমিকা নেই এবং আমি কাউকে তাকে আসামি করার জন্য কোনো নির্দেশও দিইনি।তিনি আরও বলেন, একটি পক্ষ তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। এর মাধ্যমে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।আল এমরানের ভাষ্য, জমি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করছে। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত ঘটনা ও কার কী ভূমিকা ছিল তা বেরিয়ে আসবে। তাই তদন্তের আগে কোনো পক্ষকে দায়ী না করে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বক্তব্যের যে অংশ উদ্ধৃত হয়েছে, সেটিরও ব্যাখ্যা দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, তার বক্তব্যের সঙ্গে সাংবাদিক রাসেল রানাকে মামলায় আসামি করার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।এ সময় মামলার বাদী রিফাত হোসেন ও তার বাবা আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বাদী রিফাত হোসেন বলেন, “সাংবাদিক রাসেল রানাকে আসামি করার জন্য আমাকে কেউ নির্দেশ দেননি। আমিই তাকে আসামি করেছি। তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে কাজ করেছেন। যেদিন মারামারি হয়েছে, সেদিন আমরা নাকি আসামিপক্ষের জমির পটলগাছ ও বিভিন্ন সবজি নষ্ট করেছি। এরপর আসামিপক্ষের লোকজনকে নিয়ে রাসেল নিজেই থানায় গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনায় জড়িত না থাকলে আসামিপক্ষের হয়ে থানায় যাবেন কেন? তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে কাজ করেছেন। এ কারণে তাকে আসামি করা হয়েছে।”