Joy Jugantor | online newspaper

আদমদীঘির এক প্রতিষ্ঠানের ৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ জন পাশ,

ফল জানেন না শিক্ষা অফিসার

আদমদীঘি(বগুড়া) প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: ২১:৩৯, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ফল জানেন না শিক্ষা অফিসার

আদমদীঘির এক প্রতিষ্ঠানের ৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ জন পাশ, ফল জানেন না শিক্ষা অফিসার

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ধনতলা সিনিয়র আলিম মাদরাসা থেকে ৮জন পরীক্ষা দিলেও পাশ করেছে মাত্র একজন শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি’র এই ফলাফলের তথ্য সর্ম্পকে জানতে চাইলে আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন কিছুই বলতে পারেন নি। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের তথ্য আপনার হোয়াটসঅ্যাপে দিয়েছি।প্রকাশিত এইচএসসি’র ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই উপজেলার ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে মাত্র ৪৩৬ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। আর ৯৮৭ জনই পাস করতে পারেননি।

এদিকে সান্তাহার সরকারি কলেজ থেকে ৪ জন,  পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং সর্বোচ্চ পাশের সংখ্যা এই প্রতিষ্ঠানেরই। এবার এই কলেজ থেকে অংশ নেয় ৯৩০জন এবং পাশ করেছে ২৬৬জন পরীক্ষার্থী।  তবে সর্বোচ্চ পাশের হার হাজী তাছের আহম্মেদ মহিলা কলেজের। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেয় ৮৮ জন আর পাশ করেছে ৪৯ জন এবং ওই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি শিক্ষা শাখা থেকে অংশ নেয় ১৭ জন আর পাশ করেছে ১০ জন।আর সর্বনিন্ম পাশের সংখ্যায় রয়েছে উপজেলার নসরতপুর ধনতলা সিনিয়র আলিম মাদরাসা। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেয় ৮জন, পাশ করেছে মাত্র ১ জন।

অন্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আদমদীঘির রহিম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ অংশ নেয় ২১৪ জন আর পাশ করেছে ২৫ জন, সান্তাহার মহিলা কলেজ থেকে অংশ নেয় ৯০ জন আর পাশ করেছে ১৭ জন, সান্তাহার টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে অংশ নেয় ২৭ জন আর পাশ করেছে ৯ জন, বীর বিক্রম শহীদ লে: আহ্সানুল হক ডিগ্রী কলেজ থেকে অংশ নেয় ৭৫ জন আর পাশ করেছে ৬ জন এবং ওই কলেজেরই উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি শিক্ষা শাখা থেকে অংশ নেয় ৪ জন আর পাশ করেছে ৩ জন, আদমদীঘি আধুনিক কারিগরি কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪০ জন আর পাশ করেছে ১৭ জন, নসরতপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে অংশ নেয় ৫৭ জন আর পাশ করেছে ৯ জন।

 চাঁপাপুরে জালাল উদ্দিন আহমেদ কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪৫ জন আর পাশ করেছে ২৬ জন। এছাড়া আদমদীঘি আদমিয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে অংশ নেয় ২৪ জন আর পাশ করেছে ১৫ জন এবং কড়ই আলহাজ আশরাফুননেছা আলিম মাদরাসা থেকে অংশ নেয় ১৮ জন আর পাশ করেছে ৮ জন।এমন ফলাফলে অসন্তোষ জানিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, এমনিতেই এই উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার মান খুবই খারাপ। একারনে ফল এমন হচ্ছে। তারমধ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমাদের সাথে তেমন একটা সমন্বয় করেন না।জানতে চাইলে আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন বলেন, আমি মূলত দুপচাঁচিয়া উপজেলার দায়িত্বে রয়েছি। আদমদীঘিতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে থাকি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, দুই উপজেলার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে দেরি হতে পারে। একারনে এমন হতে পারে। তাছাড়া তিনি কাজে ভালো।