Joy Jugantor | online newspaper

চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে যাচ্ছে ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২:০৫, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে যাচ্ছে ইরান

চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে যাচ্ছে ইরান

ইরান চীনের কাছ থেকে সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে যাচ্ছে। এই তথ্য জানিয়েছে ছয়জন সূত্র, যারা চুক্তির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তখনই, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি হিসেবে ইরানের উপকূলের কাছে বড় নৌবহর মোতায়েন করা হয়েছে।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে তৈরি সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার এই চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। তবে সরবরাহের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি।


ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য
দূরপাল্লা: প্রায় ২৯০ কিলোমিটার সুপারসনিক গতিতে উড়ে খুব নিচু উচ্চতায় চলাজাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে হামলা চালানোর সক্ষমতাঅস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো মোতায়েন হলে ইরানের আঘাত করার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং এ অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় হুমকি তৈরি করবে।

চুক্তির পেছনের প্রেক্ষাপট
অন্তত দুই বছর আগে আলোচনা শুরুগত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর দ্রুত অগ্রগতিগত গ্রীষ্মে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেনইরানের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী মাসউদ ওরাইও ওই সফরে অংশগ্রহণ করেছিলেনইসরায়েলের থিঙ্ক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ-এর গবেষক ও সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোয়িক্জ বলেন, “ইরান যদি জাহাজে হামলার জন্য সুপারসনিক সক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে পুরো পরিস্থিতিই বদলে যাবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন।”

চুক্তিতে কত ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে, ইরান কত অর্থ পরিশোধ করতে রাজি হয়েছে বা চীন শেষ পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর করবে কি না—এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। রয়টার্সকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, “ইরানের মিত্রদের সঙ্গে আমাদের সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে, এবং এখন সেই চুক্তিগুলো প্রয়োগের উপযুক্ত সময়।”

জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা প্রতিনিধিদল মন্তব্যের জন্য বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দিয়েছে, তবে চীন এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। হোয়াইট হাউসও সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি।তবে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, “হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছব, নয়তো আগের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”