Joy Jugantor | online newspaper

‘জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান’ পেয়ে কাঁদলেন ফেদেরার

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:০৩, ৩০ আগস্ট ২০২৬

‘জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান’ পেয়ে কাঁদলেন ফেদেরার

‘জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান’ পেয়ে কাঁদলেন ফেদেরার

অশ্রুসিক্ত চোখে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে টেনিস ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছিলেন রজার ফেদেরার। এবার হল অব ফেমে অভিষিক্ত হওয়ার মঞ্চে কাঁদলেন এই টেনিস কিংবদন্তি।শনিবার (২৯ আগস্ট) রড আইল্যান্ডের নিউপোর্টে একটি অনুষ্ঠানে রাজকীয় এই অভিষেকের পর বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ফেদেরার। ২০ বারের গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী একে ‘জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।রজার ফেদেরার বলেন, ‘এটা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মান। তারা এটাকে হল অব ফেম বলছে, কিন্তু খ্যাতি পাওয়ার লক্ষ্য কখনও ছিল না।

আমার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু করে জীবন পার করা, যেটা করতে আমি ভালোবাসি এবং এমন কিছু মানুষদের সঙ্গে যাদের আমি ভালোবাসি।’দীর্ঘ দুই দশকের ক্যারিয়ারে ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন তিনি। এ ছাড়া মাস্টার্স কাপের শিরোপা জিতেছেন আটবার। ২০ বছরের ক্যারিয়ারে গড়েছেন অসংখ্য রেকর্ডও। উইম্বলডন, ইউএস ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন—এই চার গ্র্যান্ড স্লামের চারটির ফাইনালেই খেলেছেন তিন মৌসুমে। এক মৌসুমে দুই বা ততোধিক গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন চারবার।

পরিসংখ্যান ছাপিয়ে নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের কিছু স্মৃতিচারণ করেন ফেদেরার। তিনি বলেন, ‘মেজর জয়ের সংখ্যা ও সপ্তাহের পর সপ্তাহ এক নম্বরে থাকা পরিসংখ্যান নয়। আমি এমন কিছু সংখ্যা নিয়ে কথা বলছি যেটা সত্যিই একটি ছবি এঁকে দেয়। ১৯৯৮ সাল থেকে যখন আমি প্রথমবার এটিপি ট্যুরে যাই এবং ২০২২ সালে আমি যখন অবসর নেই, এর মধ্যে আমি ৫ হাজারের বেশি হেডব্যান্ড পরেছি, সেটা (বিয়র্ন) বোর্গ ও (জন) ম্যাকএনরোর সম্মিলিত হেডব্যান্ডের চেয়ে বেশি।

আপনারা যদি মনে করেন এটা অসাধারণ, আমি আরও বলছি। আমি সম্ভবত হাজার জোড়ার বেশি মোজা পরেছি। আমার বেশিরভাগ প্রতিপক্ষের চেয়ে সম্ভবত দ্বিগুণ, কারণ আমি মোজাগুলো জোড়ায় জোড়ায় পরেছিলাম।’বাসেলের একটি এটিপি টুর্নামেন্টে ১৩ বছর বলবয় হিসেবে এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ফেদেরারের। সেই স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘এখানে থাকতে পারার মানে কী, সেটা সত্যিই পরিমাপ করার কোনো উপায় নেই। ভাষা খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমি সত্যিই প্রত্যেক বলবয়কে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমার ম্যাচ কিংবা আমাদের সব ম্যাচজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকত ঘণ্টার  পর ঘণ্টা। আমি তোমাদের দেখি, তোমাদের ধন্যবাদ জানাই, আমি তোমাদের একজন ছিলাম।’