হামজা-সামিতদের বেতনের আওতায় আনছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা বাফুফের চুক্তিবদ্ধ থাকলেও পুরুষ ফুটবলাররা তা নন। জাতীয় দলের হয়ে খেলার কারণে অবশ্য সম্মানী পান হামজা-সামিতরা।। তবে এবার পুরুষ ফুটবলারদেও বেতন কাঠামোর ভেতরে আনতে চায় সরকার।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক বৈঠক হয়েছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা যখন আমাদের এই ফুটবলারদেরকে বেতন কাঠামোর ভেতরে নিয়ে আসব।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমাদের তৃণমূল থেকে শুরু করে যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ফুটবল দলে খেলতে চায়, তারা অনেক বেশি উৎসাহিত হবে। তারা আগ্রহ প্রকাশ করবে এই ভেবে যে ‘বাংলাদেশ দলে খেললেই সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিভিত্তিক যে বেতন কাঠামোর ভেতরে আমাদের নিয়ে আসা হবে'। এটি অনেক বেশি উৎসাহিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’’এ দিন ফুটবলে মাঠের সমস্যা নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের আগামীর ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে আমাদের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতিসহ সবাইকে কিছু বিষয় আমরা বলেছি এবং তারাও আমাদের কাছে কিছু বিষয়ে বলেছেন। এখানে বিশেষ একটি বিষয় রয়েছে যে আমাদের ফুটবলের মাঠের সংখ্যা হয়তোবা বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদে অনেক রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট করে ফিফার অনুদানে আমাদের ফুটবল ফেডারেশন কিছু মাঠের বরাদ্দ আমাদের কাছে চেয়েছে। এরই মধ্যে আমরা আলোচনা সাপেক্ষে তিনটি মাঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা ফুটবল ফেডারেশনের কাছে চুক্তির মাধ্যমে হস্তান্তর করবো। সেই মাঠগুলো হচ্ছে কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম। এই তিনটি মাঠকে আমরা আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দ দেব ইনশা আল্লাহ।’
