Joy Jugantor | online newspaper

মায়াঙ্ক ঝড়ে কোহলি-ডু প্লেসিরা এলোমেলো

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১১:২৫, ৩ এপ্রিল ২০২৪

মায়াঙ্ক ঝড়ে কোহলি-ডু প্লেসিরা এলোমেলো

মায়াঙ্ক ঝড়ে কোহলি-ডু প্লেসিরা এলোমেলো

অভিষেক ম্যাচেই গতির ঝড় তুলেছিলেন লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের পেসার মায়াঙ্ক যাদব। পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। মঙ্গলবার রাতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেও তুললেন গতির ঝড়। ধারাবাহিকভাবে ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে এলোমেলো করে দেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের। এবার বোলিংটা হলো আরও ক্ষুরধার। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে নিলেন ৩ উইকেট। হলেন আবারও ম্যাচসেরা।

মায়াঙ্ক-নাভিন উলদের বোলিং তোপে ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু অলআউট হয়ে যায় ১৫৩ রানে। ২৮ রানের দারুণ জয়ে ৩ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এলো লক্ষ্ণৌ। অন্যদিকে চতুর্থ ম্যাচে তৃতীয় হারে বেঙ্গালুরু নেমে গেছে টেবিলের নবম স্থানে।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ হয়েছিল কোহলি-ডু প্লেসিসদের। ৪.১ ওভারেই তুলে ফেলে ৪০ রান। এরপর কোহলি ফিরেন ২ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রান করে। ডু প্লেসিসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৪২ রানের মাথায় তিনি রান আউট হন ব্যক্তিগত ১৯ রানে। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ফেরেন ডাক মেরে। ক্যামেরন গ্রিন ৯ রান করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। তাতে ৫৮ রানে যেতেই ৪ উইকটে হারিয়ে বসে বেঙ্গালুরু।

সেখান থেকে বেঙ্গালুরুর রান ১৫৩ পর্যন্ত যায় রজত পতিদার ও মহিপাল লোমররের ব্যাটে। রজত ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৯ রান করেন। আর লোমরর ১৩ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া মোহাম্মদ সিরাজ ১২ ও অনুজ রাওয়াত ১১ রানের ইনিংস খেলে ব্যবধান কমান।

বল হাতে ময়াঙ্ক ছাড়া নাভিন উল ৩.৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট।

তার আগে কুইন্টন ডি কক ও নিকোলাস পুরান ঝড়ে লক্ষ্ণৌর রান ১৮১ পর্যন্ত যায়। ডি কক ৫৬ বলে ৮টি চার ও ৫ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮১ রানের ইনিংস খেলেন। আর পুরান ২১ বলে ১টি চার ও ৫ ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস। তাদের বাইরে এই ম্যাচ থেকে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরা লোকেশ রাহুল ২ ছক্কায় করেন ২০ রান। মার্কাস স্টয়েনিস ১ চার ও ২ ছক্কায় করেন ২৪ রান।

বল হাতে বেঙ্গালুরুর ম্যাক্সওয়েল ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন রিস টপলে, যশ ঢুল ও মোহাম্মদ সিরাজ।