Joy Jugantor | online newspaper

মৃত্যুর পর ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা!

প্রকাশিত: ১৭:২০, ২৪ নভেম্বর ২০২১

মৃত্যুর পর ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা!

সংগৃহীত ছবি

মৃত্যুর পরেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ফুটবলের ঈশ্বরখ্যাত ডিয়াগো ম্যারাডোনার। এবার এক কিউবান নারী ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী নারী জানিয়েছেন ধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। এ তথ্য জানা গেছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে।

৩৭ বছর বয়সী মেইভিস অ্যালভারেজ রেগো জানান, আজ থেকে বিশ বছর আগে ঘটেছিল এ ঘটনা। ১৬ বছর বয়সে তার দেখা হয়েছিল ম্যারাডোনার সঙ্গে। মাদক নিরাময়ের জন্য ম্যারাডোনা তখন কিউবাতে ছিলেন। দু’জনের পরিচয়ের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, ‘আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে আমাকে পুরোপুরি জয় করে নিয়েছিল। কিন্তু তার কয়েক মাসের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।’

তখন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি তাকে কোকেইন সেবন করানোর চেষ্টাও করেছিলেন, জানান মেইভিস। যে কারণে তার প্রতি ঘৃণাও সৃষ্টি হয়ে গিয়েছিল ১৬ বছর বয়সী কিউবান তরুণীর। তিনি বলেন, ‘আমি তাকে ভালোবাসতাম, কিন্তু আমি তাকে ঘৃণাও করতাম। এমনকি তার জন্যে আমার মাথায় আত্মহত্যার চিন্তাও কাজ করতো তখন।’

বর্তমানে ১৫ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তানের মা মেইভিস জানান, তাদের সম্পর্ক টিকেছিল ৫ বছর। তবে এ সময়ের পুরোটাই তাকে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। শেষদিকে ম্যারাডোনার সঙ্গে তিনি বুয়েনোস এইরেসেও গিয়েছিলেন। তবে গিয়েই ফেঁসে গিয়েছিলেন, তাকে বহুদিন তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখা হয়েছিল হোটেলের ঘরে, এমনকি তার স্তনবৃদ্ধিকরণের অস্ত্রোপচারও করা হয়।

Mavys Alvarez Rego and Maradona pose with Cuban leader Fidel Castro

তিনি দাবি করেন, ম্যারাডোনা তাকে একবার তার হাভানার ঘরে ধর্ষণ করেছিলেন। এর বাইরে অনেকবার শারীরিক নির্যাতনের শিকারও হতে হয়েছে তাকে।

এ অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। সে মামলা অবশ্য মেইভিস নিজে করেননি। করেছেন এক আর্জেন্টাইন এনজিও, ‘ফাউন্ডেশন ফর পিসের’ মাধ্যমে। ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মানবপাচার, স্বাধীনতা খর্বকরণ, জোরপূর্বক দাসত্বে বাধ্য করা, ও শারীরিক নির্যাতনের।