Joy Jugantor | online newspaper

১৬ বছর পর ফাইনালের হাতছানি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬:৪০, ১৩ অক্টোবর ২০২১

১৬ বছর পর ফাইনালের হাতছানি

ছবি সংগৃহীত

রাউন্ড রবিন লিগের খেলা হলেও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বুধবারের (১৩ অক্টোবর) দুটি ম্যাচই অলিখিত সেমিফাইনাল। যারা জিতবে তারা যাবে ফাইনালে। বিকাল ৫টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। রাত ১০টায় ভারতকে আতিথেয়তা দেবে মালদ্বীপ। সমীকরণ একটাই, যারা জিতবে তারাই যাবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৩তম আসরের ফাইনালে। 

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফাইনালে খেলার হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। ফাইনালের চ্যালেঞ্জ নিয়ে মালদ্বীপে যাওয়া বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত নিজেদের কক্ষপথেই আছে। দৃষ্টি সীমানা বহুদূর অস্কার ব্রুজোনের শিষ্যদের। জিততে চায় ফাইনালও। তবে আপাতত তাদের নেপালের বাধা অতিক্রম করতেই হবে। লিগ পর্বের প্রথম দুই মাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এবং ভারতের বিপক্ষে ড্র করে জামাল ভূঁইয়ারা। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক মালদ্বীপের কাছে হেরে ফাইনালে খেলা অনেকটাই কঠিন করে তোলেন। ফলে লিগের শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সাতবারের লড়াইয়ের প্রথম চার ম্যাচেই নেপালকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সর্বশেষ তিনবারের সাক্ষাতে হিমালয়ের দেশটির সঙ্গে পেরে ওঠেনি তারা। তবে পুরোনো ইতিহাস ও পরিসংখ্যান নিয়ে একটুও চিন্তিত নন বাংলাদেশের কোচ ব্রুজোন। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘এখন আমরা এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি যেখান থেকে ফাইনাল মাত্র এক পা দূরে। বাংলাদেশের সবারই চাওয়া ফাইনালে খেলা। ছেলেরা এখন পর্যন্ত দারুণ কাজ করে এসেছে। আমাদের ফুটবলের যে উন্নতি হচ্ছে তা আগামীকাল (আজ) মাঠেই প্রমাণের সুযোগ। আমার দল পূর্ণশক্তি এবং উদ্দীপনা নিয়েই নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামবে। আশা করি তাদের হারিয়ে ফাইনালে খেলতে পারব।’

২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালের কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবারও শেষ ম্যাচে সেই নেপাল। তবে এবার যে কোনো মূল্যে হিমালয়ের দেশকে হারাতে চায় লাল-সবুজের দলটি। অধিনায়ক জামালের কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসী সুর, ‘মালদ্বীপ ম্যাচে কী হয়েছে তা আমরা ভুলে গেছি। এখন আমাদের সামনে ফাইনালের হাতছানি। সমীকরণও সহজ; জিতলেই ফাইনাল। তাই আমরা নেপালকে হারিয়ে ফাইনাল খেলতে চাই। স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যেতে চাই।’

বাংলাদেশের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা হয়নি ২০০৫ সালের পর। তারও দুই বছর আগে জিতেছিল একমাত্র সাফ। বড় মঞ্চে শিরোপা ছোঁয়া হয় না দীর্ঘদিন। এবার মালদ্বীপে সেই কাজটা করার সুযোগ পায় কি না বাংলাদেশ সেটাই দেখার। নিজেদের হাতেই নিজেদের ভাগ্য। ফাইনালের টিকিট পেতে হবে সাদ, মতিন মিয়া, ইব্রাহিমদের সাধ্যের বাইরে গিয়ে খেলতে হবে।