Joy Jugantor | online newspaper

জার্মান মহাকাশচারী ইনসা টিলের গবেষণায় বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩:৫৫, ১০ জানুয়ারি ২০২২

জার্মান মহাকাশচারী ইনসা টিলের গবেষণায় বাংলাদেশ

জার্মান মহাকাশচারী ইনসা টিলের গবেষণায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন ড. ইনসা টিলে-আইশ৷ পেশায় আবহাওয়াবিদ এই জার্মান নারী গত কয়েক বছর ধরে মহাকাশে যাওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। চূড়ান্ত বাছাইয়ে টিকে গেলে তিনিই হবেন মহাকাশে পা রাখা জার্মানির প্রথম নারী মহাকাশচারী৷ 

চলছে কঠোর প্রশিক্ষণ, লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা আইএসএস৷ জার্মানির দুই নারীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে মহাকাশে পাঠানোর জন্য৷ তাদের একজন ড. ইনসা টিলে-আইশ৷ গত কয়েক বছর ধরে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক নানা ধরনের প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তারা৷

ইনসার সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেয়া অন্য নারী ড. সুসানা রানডাল৷ তিনি একজন জ্যোতির্পদার্থবিদ৷

ইনসা ইতোমধ্যে প্যারাবোলিক ফ্লাইট শেষ করেছেন৷ পাইলট হিসেবে লাইন্সেসও করা হয়ে গেছে তার৷ পাশাপাশি গুহার মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে থেকেছেন, পানির নীচেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন৷

একই সাথে বাংলাদেশ সম্পর্কেও জানা আছে ইনসার । বাংলাদেশের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে পিএইচডি করেছেন তিনি৷ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্রের পানি বাড়তে থাকায় বাংলাদেশের অনেক এলাকা পানির নীচে তলিয়ে যাচ্ছ বলে জানান তিনি। 

ইনশা বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের এখনকার অনেক সমস্যা আরো বাড়িয়ে দেবে৷ যেমন অনেক মানুষ এখনই বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে না৷ জলবায়ু পরিবর্তন এই সমস্যা আরো বাড়াবে’। 

বিশ্বব্যাংকের হিসাব জানাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রতিদিন দুই হাজারের মতো মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যাচ্ছেন৷ তাদের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ জলবায়ু উদ্বাস্তু৷ ইনসা মনে করেন, আন্তর্জাতিক সমাজের উচিত বাংলাদেশকে সহায়তা করা৷ 

ইনসা বা সুসানার মধ্য থেকে যে কোনো একজন মহাকাশযাত্রার জন্য চূড়ান্তভাবে বিবেচিত হবেন৷ সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর মহাকাশে পাড়ি জমাবেন প্রথম কোনো জার্মান নারী৷