Joy Jugantor | online newspaper

খালেদা জিয়ার কিছু হলে দায় বিএনপিকেই নিতে হবে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:০৯, ২৬ নভেম্বর ২০২১

খালেদা জিয়ার কিছু হলে দায় বিএনপিকেই নিতে হবে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারের কোনো দায় নেই। কোনো কিছু হলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে। মির্জা ফখরুল সাহেবদের নিতে হবে। 

শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

এ সময় খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি, শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে বলেও হুশিয়ার করেন সেতুমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- দেশের সংবিধান ও আইন দ্বারা দেশ পরিচালিত হচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক নিয়মনীতির মধ্যে যতটুকু সম্ভব তার সবটুকু সুযোগ খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। শেখ হাসিনার মানবিক হৃদয়ের কল্যাণে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খালেদা জিয়া বাসায় থাকছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়ার সর্বোচ্চ সুযোগ পাচ্ছেন। হতে পারেন খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আইনের চোখে তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার বর্তমান পরিচয় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

বিএনপি দেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার জন্ম দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর উদারতাকে প্রতিহিংসা বলতে দ্বিধা করছেন না। বিএনপির কৃতজ্ঞতাবোধ নিয়ে জনগণ প্রশ্ন তুলে। কিন্তু এই দেশের রাজনীতিতে তারা প্রতিহিংসার জন্ম দিয়েছেন। এ সময় তিনি ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড, বিএনপির আমলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিভিন্ন নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে মির্জা ফখরুল সাহেব বড় বড় কথা বলেন। দ্বার্থ্যহীন ভাষায় বলতে চাই, কারো চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে দেশবিরোধী এই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সারা দেশের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থান ও সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে। যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে, আমরা তাদের সমুচিত জবাব দেব।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক ও আফজাল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খানম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কৃষি সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।