Joy Jugantor | online newspaper

পুরোনো ফোন থেকে সোনা সংগ্রহ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮:৪৫, ১৮ অক্টোবর ২০২১

পুরোনো ফোন থেকে সোনা সংগ্রহ

সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুৎ সুপরিবাহী হওয়ায় মোবাইল ফোনে বহুল ব্যবহৃত হয় সোনা। মরিচা না ধরা এবং সহজে ক্ষয় না হওয়ার কারণে ফোনের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) বোর্ডের ছোট্ট কানেক্টরগুলিতে সোনা ব্যবহৃত হয়। যদিও সে সোনার পরিমাণ সামান্যই। মোবাইল ফোন ছাড়াও কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের আইসিতেও থাকে সোনা।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাতিল ইলেকট্রিক সামগ্রী থেকে সোনা সংগ্রহ করার বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি রয়েছে। সেসব পদ্ধতি বেশ সহজ তবে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ ওই সোনা সংগ্রহ করতে অনেক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন না হলেও প্রয়োজন হয় বিষাক্ত সায়ানাইডের মতো নানা রাসায়নিকের। আর ওসব রাসায়নিকই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
 
যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলেছেন, ইলেকট্রনিক বর্জ্য থেকে সোনার মতো দামি ধাতু বের করা জরুরী। এতে করে খনি থেকে সোনা উত্তোলন কমবে যা বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাড়িয়ে দেয়।

ওই গবেষণাতেই একটি সহজ পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেন গবেষকরা। যে পদ্ধতিতে বাতিল ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য থেকে সোনা সংগ্রহের ঝুঁকি বেশ কম। তাছাড়া ওই পদ্ধতিতে বছরে প্রায় ৩০০ টন সোনা সংগ্রহ করা হয়। তবে এই কাজ করার আগে রাবারের গ্লাভস, রাবারের অ্যাপ্রন, ভাল গগল্‌স ব্যবহার করা উচিত।

সোনা আলাদা করার জন্য গবেষকরা একটি যৌগ তৈরি করেছেন। ওই যৌগ নিয়ে কাজ করতে গেলে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ তাতে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, মিউরিয়াটিক অ্যাসিড, মিথাইল হাইড্রেটের মতো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

বাতিল টিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ফোনের সার্কিট বোর্ডে সোনা-রূপাসহ নানা ধাতু থাকে। প্রথমে গবেষকদের তৈরি তরল যৌগের মধ্যে সার্কিট বোর্ডটি ভিজিয়ে রাখতে হবে। তাতে সব ধাতু বোর্ডটি থেকে আলাদা হয়ে যাবে। পরে আরেকটি তরল ব্যবহার করে আলাদা করতে হয় সোনা।