Joy Jugantor | online newspaper

সত‌্যি হলো ঋতাভরীর বিয়ের গুঞ্জন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৫৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আপডেট: ১৫:০২, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

সত‌্যি হলো ঋতাভরীর বিয়ের গুঞ্জন

অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।

ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ খ‌্যাত অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে গুঞ্জন চাউর হয়, ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। এ খবর প্রকাশ‌্যে আসার পর অনেকে তাকে শুভেচ্ছাও জানান। কিন্তু বিয়ের খবরটি অস্বীকার করেন এই অভিনেত্রী।

ঋতাভরী

কথায় আছে—যা রটে তার কিছুটা হলেও ঘটে। ঋতাভরীর ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। তখন বিয়ের খবর অস্বীকার করলেও ঠিকই এবার স্বীকার করেছেন এই অভিনেত্রী। অবশেষে সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো!

বিয়ের বিষয়ে মিথ‌্যা বক্তব‌্য দেওয়ার কারণ ব‌্যাখ‌্যা করে ঋতাভরী বলেন—‘আমাদের সম্পর্কটা নতুন। তাই মনে একটা সংশয় ছিল। আর আমি প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তাই প্রথমে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে চেয়েছিলাম। বিয়ের বিষয়ে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলাম না। ওই সময়ে বিভিন্ন মিডিয়া আমাকে ‘মিসকোট’ করতে শুরু করেছিল। তখন ‘বিয়ে করছি না’ বক্তব‌্য দিয়ে আলোচনাটা বন্ধ করতে চেয়েছিলাম। সত্যিটাকে স্বীকার করার মতো জোর তখন আমার ছিল না।’

বিয়েকে বরাবরই ভয় পেয়ে এসেছেন ঋতাভরী। তাই বিয়ের আগে একটা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তার হবু বরকে। বিষয়টি উল্লেখ করে ঋতাভরী বলেন—‘আমার একটাই শর্ত ছিল, যাকে বিয়ে করব, বিয়ের আগে তার সঙ্গে কিছু দিন থাকতে চাই। কিন্তু দুই বাঙালি পরিবার ব্যাপারটাকে কীভাবে নেবে জানি না। তাই ঠিক হলো, এ বছর ডিসেম্বরে বাগদান সম্পন্ন করে আমার বাড়িতে একসঙ্গে থাকব। কোভিড পরিস্থিতি ঠিক হলে পরের বছর বা তার পরের বছর জাঁকজমক করে বিয়ে করব।’

ঋতাভরী চক্রবর্তী

ঋতাভরীর হবু বর একজন মনোবিদ। তার ক্লিনিক উদ্বোধন করতে গিয়ে মূলত তার সঙ্গে ঋতাভরীর পরিচয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব, যা গড়িয়েছে প্রেমে। এরপর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন এই যুগল। আপাতত দুই পরিবারের কাছের মানুষদের নিয়ে বাগদান পর্ব সারবেন ঋতাভরী।

ঋতাভরী চক্রবর্তী

‘ওগো বধূ সুন্দরী’ ধারাবাহিকের মাধ‌্যমে টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেন ঋতাভরী। ২০১১ সালে ‘তোমার সঙ্গে প্রাণের খেলা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন। যদিও চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়নি। ২০১২ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘তবু বসন্ত’। ঋতাভরী অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো—‘ চতুষ্কোণ’, ‘বারুদ’, ‘পরী’, ‘শেষ থেকে শুরু’ প্রভৃতি।

ঋতাভরী চক্রবর্তী