Joy Jugantor | online newspaper

সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স

ডেস্ক রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ০৩:০২, ২ অক্টোবর ২০২৩

সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স

চলতি অর্থবছরের সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। যা গত সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স। এর আগে, ২০২০ সালের এপ্রিলে ১০৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা রেমিট্যান্স এসেছিল। পরবর্তীতে রেমিট্যান্স প্রবাহ উঠানামা করলেও এতটা নিচে নামেনি।

রোববার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য মতে, সেপ্টেম্বরে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। যা আগের বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৯ কোটি ৫৯ লাখ ডলার কম। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।  

রেমিট্যান্স পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, পরের মাস মার্চে এসেছিল ১২৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার, এপ্রিলে এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। একই বছর মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। পরবর্তীতে রেমিট্যান্স প্রবাহ উঠানামা করলেও সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরের মতো এতটা কমেনি। যদিও গত তিন মাস ধরেই ধারাবাহিকভাবে কমছে রেমিট্যান্স।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১১৮ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বরাবরের মত ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৩৪ কোটি ১৩ লাখ ডলার। এরপর ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। এছাড়া সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

 

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।