Joy Jugantor | online newspaper

ঠিকাদার-এলজিইডির দ্বন্দ্বে কুড়িগ্রামে ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:০০, ৩০ নভেম্বর ২০২১

ঠিকাদার-এলজিইডির দ্বন্দ্বে কুড়িগ্রামে ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ

কুড়িগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজ নির্মাণ কাজ বন্ধ।

ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের আদেশ স্থগিত এবং কাজ চলমান রাখা নিয়ে উচ্চ আদালতের রুল জারির পরও কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার ধরলা ব্রিজ অ্যাপ্রোচ-যাত্রাপুর জিসি সড়কে ব্রিজ নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খোদ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদারের অভিযোগ, দুদফায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কপি এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার পরও নির্বাহী প্রকৌশলী চুক্তি বাতিলের ‘অজুহাত’ তুলে কাজ করতে বাধা দিচ্ছে। যা আদালত অবমাননার শামিল। এতে করে নির্মাণ কাজ স্থবির হয়ে জনগণের চলাচলে ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ একটি রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তকে এক মাসের জন্য স্থগিত এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত ঠিকাদারকে কেন কাজ চলমান রাখার নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানাতে চার সপ্তাহের সময় দিয়ে রুল জারি করেন। রুলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর এ আদেশের সময়সীমা আরও তিন মাসের জন্য বর্ধিত করেন আদালত।

তবে কুড়িগ্রামের এলজিইডি কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা আদালতের নির্দেশনার এমন কোনো কপি পাননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করা এবং বারবার চিঠি দিয়ে কাজ শুরুর তাগদা দেওয়ার পরও নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখায় ঠিকাদারের সঙ্গে আইনগত প্রক্রিয়ায় চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।

ঠিকাদার ও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের চিঠি চালাচালি এবং আইনি প্রক্রিয়ার বেড়াজালে পড়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ বর্তমানে বন্ধ আছে। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী সদর উপজেলার তিন ইউনিয়নসহ নাগেশ্বরী ও উলিপুর উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় সদর উপজেলার তিন ইউনিয়নের মানুষসহ নাগেশ্বরী ও উলিপুর উপজেলার কিছু এলাকার মানুষ ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছে।